বিষাক্ত বাতাসে ঢেকেছে রাজধানী! জরুরি বৈঠক ডেকে সাটিঁয়া নির্দেশ জারি কমিশনের, কী বদলাচ্ছে?

দীপাবলির পরই রাজধানী দিল্লি ও তার সংলগ্ন এলাকাগুলিতে (দিল্লি-এনসিআর) বাতাসে বিষবাষ্পের পরিমাণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ক্রমশ অবনতি হতে থাকা বায়ুর গুণমান (AQI) নিয়ন্ত্রণে এবার বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল বায়ু গুণমান ব্যবস্থাপনা কমিশন (CAQM)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজধানী এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতে অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ বা GRAP-এর দ্বিতীয় পর্যায়।

সোমবার, ২ নভেম্বর থেকেই এই আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। দূষণের মাত্রা বিপজ্জনক স্তরে পৌঁছানো ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত সরকারি দফতর ও সংস্থাকে নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কী কী কঠোর বিধিনিষেধ চালু হচ্ছে?
জিআরএপি-২ (GRAP-2) কার্যকর হওয়ার ফলে দিল্লি-এনসিআর জুড়ে একাধিক জরুরি পদক্ষেপ এবং নিষেধাজ্ঞা জারি হতে চলেছে:

ডিজেল জেনারেটরে নিষেধাজ্ঞা: জরুরি পরিষেবা (যেমন হাসপাতাল, রেল ও মেট্রো) ছাড়া সাধারণ কাজে ব্যবহৃত ডিজেল জেনারেটর চলাচলের ওপর কড়া বিধিনিষেধ থাকবে।

রাস্তায় জল ছিটানো ও যান্ত্রিক পরিষ্কার: বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ কমাতে প্রতিদিন প্রধান রাস্তাগুলিতে যান্ত্রিক উপায়ে ঝাড়ু দেওয়া হবে এবং নিয়মিত জল ছিটানো হবে।

নির্মাণকার্যে কড়াকড়ি: নির্মাণস্থলগুলিতে ধুলোবালি প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো স্থানে নিয়ম অলঙ্ঘন করা হলে তা সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

যানবাহন ও পার্কিং সংক্রান্ত নিয়ম: দূষণ রোধে ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার কমাতে এবং গণপরিবহন (বাস ও মেট্রো) ব্যবহারে উৎসাহ দিতে পার্কিং ফি বা শুল্ক বাড়ানো হতে পারে।

আবহাওয়া ও বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী দল জানিয়েছে, বায়ুমণ্ডলে ধোঁয়াশা ও বিষাক্ত কণার পরিমাণ আগামী কয়েকদিনে আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কমিশন চব্বিশ ঘণ্টা মনিটরিং চালাচ্ছ। (সংবাদটি হালনাগাদ করা হচ্ছে…)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *