অভ্যন্তরীণ কলহ শেষ, ৪ঠা নভেম্বর থেকেই বিশাল ধামাকা! চণ্ডীগড় থেকে কংগ্রেসের মাস্টারস্ট্রোক

আসন্ন পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিজেদের রণকৌশল ও শক্ত অবস্থান স্পষ্ট করল কংগ্রেস। আগামী নির্বাচনে রাহুল গান্ধী এবং সর্বভারতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে সামনে রেখেই দল লড়াইয়ের ময়দানে নামবে। সোমবার চণ্ডীগড়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি ভেনুগোপাল।

তিনি সাফ জানিয়েছেন, পঞ্জাব কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ কোনো মতপার্থক্য বা দ্বন্দ্ব আর অবশিষ্ট নেই। সমস্ত সিনিয়র নেতাই এখন একমঞ্চে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে লড়াই করবেন।

৪ঠা নভেম্বর থেকে ‘হিসাব মাঙ্গো’ মেগা র‍্যালি ও প্রচার

পঞ্জাবে ফের ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে আগামী ৪ঠা নভেম্বর থেকে কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নির্বাচনী প্রচার অভিযান শুরু করতে চলেছে।

  • ওই দিন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী স্বয়ং পঞ্জাবের সঙ্গরুরে উপস্থিত থাকবেন এবং একটি সুবিশাল ‘হিসাব মাঙ্গো’ জনসভায় ভাষণ দিয়ে প্রচারের শঙ্খনাদ করবেন।

  • যুবসমাজ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রাহুল গান্ধীর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই দল প্রচারের ঝড় তুলতে চায় বলে জানান ভেনুগোপাল।

“কংগ্রেসে স্বৈরাচার চলে না, বিরোধ উবে গেছে”

চণ্ডীগড়ে পঞ্জাব কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে পরপর চারটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক করেন কে সি ভেনুগোপাল ও পঞ্জাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা শচীন পাইলট। বৈঠকে শীর্ষ রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তিনি বলেন:

“কংগ্রেস একটি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক দল। এখানে প্রত্যেকের নিজ নিজ মতামত প্রকাশের গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে; কোনো স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয় না। সমস্ত নেতারা একসাথে বসে আলোচনা করেছেন এবং বিরোধ মিটিয়ে রাজ্যকে মাদক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি থেকে রক্ষা করতে একজোট হয়েছেন।”

পঞ্জাবের বর্তমান আম আদমি পার্টি (AAP) সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে এবং রাজ্যটি মাদক মাফিয়াদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে তোপ দাগেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। এই সমস্ত সামাজিক ব্যাধি দূর করে রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং পুনরায় কংগ্রেস সরকার প্রতিষ্ঠা করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য বলে দাবি করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *