ছাড়া পেয়েই মহা বিপাকে অভিজিৎ-সৌরভরা! ১ বছরের কঠিন শর্তে মেলানো হলো মুক্তি, আইনি গ্যাঁড়াকলে সিজেপি নেতারা

১ বছরের বিশেষ শর্তে মুক্তি পেলেন সিজেপি নেতারা! দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপে এবার বিস্ফোরক দাবি আইনজীবীর
রাজধানী দিল্লিতে সংঘটিত হাই-ভোল্টেজ বিক্ষোভ আন্দোলন ও বিপুল গণগ্রেফতারির ঘটনায় আটক ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) শীর্ষ নেতৃত্বের মুক্তি ঘিরে নতুন বিতর্ক দানা বেঁধেছে। সিজেপি প্রধান অভিজিৎ ডিপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও রত্না সিং সহ অন্যান্য আন্দোলনকারীদের মুক্তি দেওয়া হলেও তার পেছনে জুড়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক কঠোর শর্ত। পুলিশি হেফাজত থেকে তাঁদের এই জামিন বা মুক্তির ক্ষেত্রে ঠিক কী কী বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে, তা নিয়ে এবার বিস্ফোরক দাবি পেশ করেছেন আন্দোলনকারীদের আইনজীবী।
আইনজীবী সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশ সিজেপি নেতাদের একেবারেই বিনাশর্তে বা সসম্মানে ছেড়ে দেয়নি। বরং ‘প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন’ বা সতর্কতামূলক আটকের আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তাঁদের একটি বিশেষ মুচলেকা বা বন্ডে সই করিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই বন্ডের শর্ত অনুযায়ী, আগামী ১ বছরের জন্য তাঁদের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে পুলিশ। কোনো ধরণের আইনশৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটে বা অশান্তি ছড়াতে পারে—এমন কোনো প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বা তা উসকে দেওয়া থেকে তাঁদের সম্পূর্ণ বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, এই বন্ড বা মুচলেকার কোনো শর্ত ১ বছরের মধ্যে লঙ্ঘিত হলে পুলিশ পুনরায় অত্যন্ত দ্রুত তাঁদের গ্রেফতার করার বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা হাতে রেখেছে। আন্দোলনকারীদের আইনজীবীদের একাংশ দাবি করছেন, আন্দোলন দমন করার জন্যই এ ধরণের ‘কঠিন ও চাপিয়ে দেওয়া শর্ত’ মেনে নিতে বাধ্য করা হয়েছে তাঁদের মক্কেলদের। একদিকে যেখানে সুপ্রিম কোর্টে গণগ্রেফতারির বিরুদ্ধে দরবার শুরু হয়েছে, ঠিক অন্যদিকে পুলিশি বন্ডের এই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতেই দেশ জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গেছে।