OMG! বি‌য়ে করায় লক্ষা‌ধিক টাকা পুরস্কার দি‌লো সরকার, ত‌বে দম্পতিদের জন্য শর্ত একটাই

বিয়ে মানেই অনেক খরচ। শুধু বিয়ের সময় নয়, পরও খরচ। পণ ছাড়া বিয়ে করে কেউ টাকা পায় শুনেছেন কখনো? শোনেননি তো? তবে মিথিলেশ নামে এই ব্যক্তি পেয়েছেন। তাও লক্ষাধিক টাকা। এখানেই শেষ নয়, মাসে মাসে তার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে কয়েক হাজার টাকা। সেই টাকা পেয়ে মিথিলেশ আপ্লুত।
সেই টাকা মিথিলেশকে দিয়েছে বেলারুশের সরকার। সে দেশেরই মেয়েকে বিয়ে করেছেন তিনি। সন্তানও হয়েছে দুই জনের। তারপর এককালীন এক লাখ ২৮ হাজার টাকা পেয়েছেন মিথিলেশ। মাসে মাসে পাবেন ১৮ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নাম লিসা। তিনি বেলারুশের বাসিন্দা। সেখানেই দেখা হয়েছিল তাদের। তারপর প্রেম, বিয়ে, সন্তান। মিথিলেশের মেয়ের বয়স এখন দুই মাস। মিথিলেশ সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, স্বাভাবিক উপায়ে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন লিসা। জন্মের সময় ওজন ছিল চার কেজি।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও পোস্ট করে লিসার সঙ্গে পরিচয়ের গল্প জানান মিথিলেশ। তার চ্যানেলের নয় লাখ সাবস্ক্রাইবার রয়েছেন। ২০২১ সালের মার্চে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন মিথিলেশ। প্রিয়াংশু নামে এক ব্যক্তি তাকে বেলারুশ যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ শুনে বেলারুশে গিয়েছিলেন তিনি। বেলারুশে এক বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিলেন মিথিলেশ। সেখানেই দেখা লিসার সঙ্গে। একে অন্যের কোনো কথা বোঝেননি তারা। দোভাষীর মাধ্যমে কথা বলছিলেন দুইজন। ক্রমে আলাপ গাঢ় হয়। বার বার দেখা করতে থাকেন দুইজন। তারপর লিসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন মিথিলেশ। রাজি হয়ে যান লিসা। দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ে হয় লিসা আর মিথিলেশের। গত বছর ২৫ মার্চ।

দুই মাস আগে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন লিসা। তারপরেই বেলারুশ সরকার টাকা দিয়েছে মিথিলেশদের। এককালীন লক্ষাধিক টাকা দিয়েছে। আগামী তিন বছর, প্রতি মাসে মিথিলেশের অ্যাকাউন্টে ১৮ হাজার টাকা দেবে সরকার। তবে কেন দিল টাকা? মিথিলেশ জানিয়েছেন, সন্তান পালনের জন্য এই টাকা দিয়েছে বেলারুশ সরকার। তবে শর্ত, থাকতে হবে সে দেশেই। ২০১৫ সাল থেকে বেলারুশে এই নিয়ম চালু হয়েছে। সন্তান জন্মানোর পর তাদের প্রতিপালনের জন্য এই টাকা দেয় সরকার। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্যই এই পদক্ষেপ করেছে সে দেশের সরকার। অনেক পরিবার সামর্থ্য না থাকায় একের বেশি সন্তান নিতে চান না। তাদের উৎসাহ দিতেই এই অনুদান দেয় বেলারুশ সরকার।

সূত্র: আনন্দবাজার

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *