পেটের দায়ে কাজ করেছেন গ্রিল চিকেন শপে ! ‘বামাক্ষ্যাপা’ সব্যসাচীর কঠিন সংগ্রাম চোখে আনবে জল

বাংলা চলচিত্রের ধারাবাহিকে অতি শীঘ্রই আস্তে চলেছে ষ্টার জলসার পর্দাতে নতুন এক ধারা বাহিক রামপ্রসাদ। ক্রমশ প্রায় এক বছর পর এমন চলচিত্র উঠে আসবে যা সবার মন কে খুব আনন্দিত করে তুলবে। সব্যসাচী কে এই ধারাবাহিকের পেয়ে সকল মিডিয়া খুব উতীজিত। দীর্ঘ এক বছর পর সাব্যসাচীকে আবার পর্দার সামনে দেখা গেছে। তার প্রেমিকার মৃত্যুর শোকে সে পুরো সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই বিরত থেকে গেছেন নিজেকে সব কিছু থেকে দূরে রেখেছেন। শেষে বার তাকে ষ্টার জলসার সাধক বামাক্ষেপা চরিত্রে দেখা গিয়েছিলো এই চরিত্র থেকেই তাকে সব্যসাচী বলে সবাই চেনেন। মহাপীঠ তারাপীঠের পর নতুন চলচিত্রে আস্তে চলেছে অভিনেতা এক বিশেষ ভঙ্গি নিয়ে বিশেষ চলচিত্র নিয়ে।

প্রত্যেক সদস্য এক অভিনেতা হয়ে উঠার পিছনে অনেক কাহিনী লুকিয়ে থাকে যা চিরতরে অভিনেতা দেড় মনে স্মৃতি হিসেবে রয়ে যাবে এই পরিশ্রমের জন্যই তারা এতো বোরো অভিনেতা হয়ে উঠতে পেরেছেন। আজ অভিনয় জগতে সভ্যসাচী এক পরিচিত মুখ তাকে সবাই চেনে এক অভিনেতা হিসেবে তার অভিনয় তার কাজ সবার মন কে অভিপ্রানিত করে তোলে। অভিনেতা হয়ে উঠার জন্য অনেক সংগ্রাম মদ্ধ দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে এই সংগ্রাম এবং পরিশ্রম তার এই জীবনের সফলতা। এই সাধারণ মানুষ থেকে অভিনেতা হয়ে ওঠার যুদ্ধ নিয়ে তিনি অবশেষে মুখ খুলেছেন।

কাজের সব্যসাচী এগ্রিকালচারাল Enjinearig ছাত্র ছিলেন কিন্তু এই পড়াশুনা মাজ পথে থেমে যায় কঠিন অবস্থার মুখমুখি চলতে হয় শেষে বাঁধ হয়ে সব কিছু কে পিছুপা করে তিনি হোটেল ম্যানেঞ্জমেন্ট এ ভর্তি হন। ছোট থেকেই তার স্বপ্ন ছিলেন অভিনেতা হবেন চাকরির দিকে মোটেও ইচ্ছা ছিলেন না তার তার জেদ কে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে তিনি কঠিন ভাবে জীবন যাপন করা শুরু করেন।

স্বপ্ন মানুকে কত দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে তার উদাহরণ সভ্যসাচী নিজেই। এরপর তিনি বিদেশে পারি দেন। তিনি স্টুডেন্ট লোন নিয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেন প্রচুর অর্থ সংকটে পরে গিয়েছেন ওই বিদেশে থাকার সময় ওই সময় তিনি বাধ্য হয়ে কেএফসি তে মেঝেতে পরিষ্কার এর কাজ তাকে করতে হয়েছিল স্বপ্ন মানুষ কে কত টা পরিবর্তিত করে তার উদাহরণ সভ্যসাচী নিজেই। এর পর তিমি অর্থ উপার্জনের জন্য তিনি গ্রিল চিকেন শপে কাজ করতেন । অনেক সংগ্রাম করে তার স্বপ্নের পথে তাকে এগোতে হয় কখন পিছুপা হয় নি অভিনেতা। এরপর তিনি পড়াশুনা শেষ করে তিনি আবার তার শহরে ফিরে আসেন।
সব্যসাচী এখন সার্থক তার স্বপ্নের শিখরে তিনি পোঁছে গেছেন অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি তিনি একটি নিজের ক্যাফে চালান সেরা তার একান্তই ইচ্ছার মাধ্যমেই তিনি খুলেছেন। কাজের ফাঁকে এসে তিনি দেখা সোনা করেন রান্নাবান্নার কাজ দেখেন খুব উৎসাহী সে এই ব্যাপার এ।

সব্যসাচী সোশ্যাল মিডিয়া তে জানিয়েছেন সে খুব একটা ভগবান বিশ্বাসী নয় সে সুপার পাওয়ার এ বিশ্বাসী তিনি বিশেষ করে সে রখম ভাবে কোনো মুক্তি পূজা করে না।সব্যসাচী আরো অনেক কিছুই জানিয়েছেন যা এই পর্দায় ফুটে উঠেছে শুটিং চলাকালীন তার ১০ ১২ টা কাজের প্রস্তাব আসে কিন্তু সে অস্বীকারসব ফিরিয়ে দিয়েছেন যখন এই বামাক্ষেপা চরিত্র টি আসে তখন সে উৎসাহের সাথে রাজি হয়েছিলেন কারণ এই চরিত্রটি তার মন কে নাড়িয়ে দিয়েছিলো এই চরিত্র টি তিনি ফিরিয়ে দিতে পারেন নি এই চরিত্র গুলো যেন তার খুব চেনা একেবারে তার অন্তরে জেগে উঠেছে। তার প্রীয় মানুষ তার প্রেমিকার মৃত্যুর পর তিনি সব দিক থেকেই শোকাহত এ পরে গিয়েছিলেন সব কিছু থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন এই চলচিত্রের মাধ্যম থেকেই তার প্রেমিকার সাথে তার মিলন ঘটে সে চলে যাওয়ার পর একাকিত্ব তাকে ঘিরে রয়েছে যেন। সে চলে যাওয়ার পর তিনি ঠিক করেছেন পর্দার সামনে কোনোদন আসবেন না ৰরং সোশ্যাল মিডিয়া তেও ফিরবেন না তার প্রেমিকার সাথে তার প্রভ্যুর স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।