দীর্ঘ ৭০ বছরের নীরবতা ভাঙল! নদীপথে সরাসরি বাংলাদেশ বাণিজ্য শুরু হতেই আসামে ঐতিহাসিক উল্লাস!

ঐতিহাসিক মাইলফলক: দীর্ঘ ৭০ বছরের খরা কাটিয়ে আসাম-বাংলাদেশ জলপথ বাণিজ্য চালু, ডিব্রুগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিল প্রথম কার্গো
স্বাধীনতার পর দীর্ঘ প্রায় সাত দশক ধরে বন্ধ থাকার পর অবশেষে পুনরুজ্জীবিত হলো আসাম ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক জলপথ বাণিজ্য। ডিব্রুগড়ের বোগিবেল টার্মিনাল থেকে ৫৪০ মেট্রিক টন মিথানল বোঝাই একটি বিশেষ বার্জ ঢাকার পাগাঁও বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার মাধ্যমে এই নতুন যুগের সূচনা হলো। ১৯৫৬ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই জলরুটটি পুনরায় চালু হওয়ায় উত্তর-পূর্ব ভারতের বাণিজ্যিক মানচিত্রে এক বিরাট বিপ্লব ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাণিজ্য চালুর নেপথ্যের বিশেষ দিকগুলি:
-
ঐতিহাসিক পটভূমিকা: ১৯৫৬ সালের পর থেকেই আসাম থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক জলপথে কার্গো চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বোগিবেল ও ধুবুড়িতে কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশন সুবিধা চালু হওয়ায় এই রুটটি পুনরায় সক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে।
-
ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা: ব্রহ্মপুত্র নদকে প্রধান মালবাহী করিডোর হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রথম আন্তর্জাতিক রুটে বাণিজ্য শুরু হওয়ায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং উত্তর-পূর্ব ভারত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের নতুন গেটওয়ে পাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
নদীপথের এই ঐতিহাসিক পুনরুজ্জীবন শুধু বাণিজ্যের গতি বাড়াবে না, বরং সড়কপথের ওপর চাপ কমিয়ে পরিবেশবান্ধব পরিবহণের ক্ষেত্রেও এক বড় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।