নাবালিকা ভাইঝিকে ধর্ষণ! যাবজ্জীবন সাজা মাথায় নিয়েও শুধরোল না অপরাধী, আদালত যা রায় দিল শুনলে শিউরে উঠবেন!

ষোলো বছর জেল খাটার পর জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু এক বছর কাটতে না কাটতেই ফের সেই একই পৈশাচিক অপরাধ! নদিয়ার ধানতলা ধর্ষণ কাণ্ডে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কমলেশ বালা জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে নিজের ১৫ বছরের ভাইঝিকে ধর্ষণের অভিযোগে ফের দোষী সাব্যস্ত হলেন। আদালত এবার তাঁকে আমৃত্যু জেলের সাজা শুনিয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছিল নদিয়ায়?

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধানতলা ধর্ষণ কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত কমলেশ বালা এর আগে দীর্ঘ ষোলো বছর জেলের অন্তরালে ছিল। পরবর্তীকালে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে সে নিজের বাড়িতে ফিরে আসে। কিন্তু সমাজ বা আইনের শাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বাড়ি ফেরার মাত্র এক বছরের মাথায় সে ফের অপরাধের পথ বেছে নেয়।

এবারের তার শিকার হয় তারই নিজের ১৫ বছরের ভাইজি। অভিযোগ, নাবালিকা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করার পাশাপাশি কাউকে মুখ না খোলার জন্য চরম ভয়ও দেখায় সে। ঘটনার জেরে তীব্র শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্যাতিতা কিশোরীকে টানা পনেরো দিন বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়।

বনগাঁ আদালতের ঐতিহাসিক রায়

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্ত কমলেশ বালাকে গ্রেফতার করে। বনগাঁ এডিজে ওয়ান কোর্টের বিচারক রাজীব সাহা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

শুনানি শেষে বিচারক শুধু যাবজ্জীবন কারাদণ্ডই ঘোষণা করেননি, সেই সঙ্গে এক নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের এই রায়ের ফলে অভিযুক্ত কমলেশ বালা তার বাকি জীবন জেলের চার দেওয়ালের বাইরে আর কোনদিনই পা রাখতে পারবে না বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। সমাজের চোখে অত্যন্ত ঘৃণ্য এই অপরাধের কঠোরতম শাস্তি পেকে যাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে সচেতন মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *