মোদীর ২৫ বছরের জনসেবা! ঐতিহাসিক ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর দায়িত্ব পেলেন কোন কোন হেভিওয়েট নেতা?

রাজনীতিতে দীর্ঘ আড়াই দশক ধরে জনসেবার এক অনন্য রেকর্ড গড়তে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর এই ঐতিহাসিক ২৫ বছরের জনসেবা পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) দেশজুড়ে বিশাল পরিসরে ‘সেবা সংকল্প अभियान’ (জন সেবা ਹੀ প্রভু সেবা) চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই মেগা ক্যাম্পেইনের সফল রূপায়ণের জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে চলা ১২টি প্রধান কর্মসূচির আলাদা আলাদা দায়িত্ব বা প্রভারী হিসেবে দলের ১২ জন শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

কোন কর্মসূচির দায়িত্বে কে?

বিজেপির এই বিশেষ কার্যক্রমে ব্যাপক জনসচেতনতা বাড়াতে এবং সুশাসন ও উদ্ভাবনকে পাথেয় করে দলের পক্ষ থেকে একাধিক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

  • আশীর্বাদ কা দিয়া: এর মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনसुख मांडविया-কে।

  • আমার স্বপ্নের ভারত-চিত্র সেবা: এই কর্মসূচির দায়িত্বে রয়েছেন সংসদ সদস্য তেজস্বী সুর্যা এবং জাতীয় সম্পাদক মৃগাঙ্ক দেব বর্মণ।

  • আঙন মিলন সেবা: এই কর্মসূচির মেগা প্রভারী হিসেবে থাকছেন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক স্মৃতি ইরানি।

  • সেবা জ্যোতি कलश यात्रा: এই যাত্রার সার্বিক দায়িত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুক মান্ডভিয়া এবং গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভি।

  • সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ: এই নতুন প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক কর্মসূচির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেরলের রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখরকে।

  • সুশাসন সেবা संवाद: এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রভারী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল।

দেশজুড়ে বিজেপির বড় রাজনৈতিক প্রস্তুতি

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে চলা এই বিশাল উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে শাসকদল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে জাতীয় স্তরের পদাধিকারী এবং রাজ্যস্তরের হেভিওয়েট নেতাদের এই কর্মসূচির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করে রাজনৈতিক মহলে এক নতুন বার্তা দিতে চাইছে বিজেপি। আগামী দিনে এই অভিযান দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *