তৃণমূল কার? নির্বাচন কমিশনের দরবারে রুদ্ধদ্বার বৈঠক, চিহ্ন ফ্রিজ হওয়ার উপক্রম হতেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!

আসন্ন ৬ অক্টোবরের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নজিরবিহীন আইনি ও সাংবিধানিক সংঘাত। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম, নির্বাচন প্রতীক ‘জোড়া ফুল’ এবং দলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখতে দিল্লির নির্বাচন কমিশনে (ECI) টানা আইনি প্রক্রিয়া ও শুনানি অব্যাহত রয়েছে।

তৃণমূল দলীয় প্রতীকের যুদ্ধ: আইনি লড়াইয়ে কী ঘটছে?

India Today
  • কমিশনে শুনানি পর্ব: উপনির্বাচনে প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর। তার ঠিক আগেই দিল্লির ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট’-এ নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সামনে নিজেদের স্বপক্ষে নথিপত্র ও সাংগঠনিক প্রমাণের নথি পেশ করেছে দুই পক্ষই।

  • দাবি ও পাল্টা দাবি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দলীয় নেতৃত্ব এবং বিরোধী শিবিরে চলে যাওয়া বিধায়কদের গোষ্ঠী— উভয় পক্ষই নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস’ বলে দাবি করে প্রতীক ও ব্যালট পেপারে দলীয় নাম ব্যবহারের আবেদন জানিয়েছে।

  • প্রতীক ‘ফ্রিজ’ হওয়ার জল্পনা: উপনির্বাচন একদম দোরগোড়ায় হওয়ায় কমিশনের পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে দলীয় প্রতীকটি ‘ফ্রিজ’ বা স্থগিত রাখা হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদি প্রতীক ফ্রিজ করা হয়, তবে দুই শিবিরকেই স্বতন্ত্র নাম ও নতুন নির্দল প্রতীকে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি?

National Herald

আইনজীবীদের মতে, প্রতীক বরাদ্দের ওপর নির্বাচন কমিশন কোনো অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করলে বা কোনো নির্দিষ্ট এক পক্ষকে চিহ্ন দিলে অপর পক্ষ দ্রুত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি রাখছে।

উপনির্বাচনের মেগা ফাইটের আগে কোন শিবিরের হাতে শেষ পর্যন্ত দলের নিয়ন্ত্রণের অধিকার ও প্রতীক থাকবে, সেদিকেই চোখ রাখছে সমগ্র রাজনৈতিক মহাদেশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *