আইনি রক্ষাকবচ উঠতেই অভিষেকের বাড়ি থেকে পিএ গ্রেফতার! ‘কান টানলে মাথা তো আসবেই’, হুঙ্কার সুকান্ত মজুমদারের।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই মিলল বড় মোড়। আইনি রক্ষাকবচ উঠতেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ি থেকে তাঁর আপ্তসহায়ক (PA) সুমিত রায়কে গ্রেপ্তার করল সিআইডি (CID)। শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় এই হাই-প্রোফাইল গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শাসক শিবিরকে একহাত নিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।
সুকান্ত মজুমদারের হুঙ্কার
সুমিত রায়ের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, “কান টানা হয়েছে, এবার মাথা আসবে।” তাঁর দাবি, দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে রয়েছে এবং এই গ্রেপ্তারি কেবল সূর্যাস্ত মাত্র, এর পেছনে আরও বড় নাম ও যোগসূত্র রয়েছে যা তদন্তে আস্তে আস্তে প্রকাশ্যে আসবে।
দীর্ঘ আইনি টানাপোড়েন ও জলঘোলা
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই শালবনি জমি সংক্রান্ত একটি দুর্নীতি মামলাকে কেন্দ্র করে আইনি বেড়াজালে জড়িয়েছিলেন সুমিত রায়। এতদিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দিষ্ট রক্ষাকবচ থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি সেই রক্ষাকবচ উঠে যেতেই কোমর বেঁধে নামে তদন্তকারী দল সিআইডি। সরাসরি অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ভবানী ভবন এবং পরবর্তীতে এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ মহলের কাউকে সরাসরি এহেন গ্রেপ্তারের জেরে একদিকে যেমন বিরোধী শিবির চাগিয়ে উঠেছে, তেমনই শাসক দলের অন্দরেও অস্বস্তি বেড়েছে বহুগুণ। আগামী দিনে এই তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয় এবং সিআইডির জালে আর কে কে পড়েন, এখন সেটাই দেখার।