ভোররাতে ঘরে ঢুকে নৃশংস তান্ডব! মধ্যপ্রদেশের এই ভয়াবহ কান্ডে শিউরে উঠবেন!

পরকীয়ার সন্দেহের জেরে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী থাকল মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলা। স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে অন্ধ সন্দেহের জেরে শেষ পর্যন্ত নিরপরাধ শ্বশুরকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল জামাইয়ের বিরুদ্ধে। এই রোমহর্ষক ঘটনায় কেবল একটি পরিবারই নয়, কেঁপে উঠেছে গোটা এলাকা।

ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত রামপ্রসাদ ও তাঁর স্ত্রী রেশমি কিছুদিন আগে কাজের সূত্রে মুম্বইয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে থাকার সময় থেকেই স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে রামপ্রসাদের। তাঁর বদ্ধমূল ধারণা হয় যে রেশমি অন্য কারও সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই অশান্তি লেগেই থাকত। ঝামেলার জেরে দিনকয়েক আগে রেশমি বাপের বাড়িতে চলে আসেন।

ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বশুরকে আক্রমণ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতেও স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান মত্ত রামপ্রসাদ। এরপর রাত প্রায় চারটে নাগাদ একেবারে সুপরিকল্পিতভাবে শ্বশুরবাড়িতে চড়াও হন তিনি। সেই সময় ৬৫ বছরের বৃদ্ধ শ্বশুর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। আচমকাই তাঁর ঘরে ঢুকে কুড়ুল দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে তাঁকে খুন করেন রামপ্রসাদ। ওই বৃদ্ধের চিৎকার শুনে রেশমির বোন ছুটে এলে তাঁর ওপরও প্রাণঘাতী আক্রমণ চালায় অভিযুক্ত। বর্তমানে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

ঘটনার পরই তক্ষুনি এলাকা থেকে চম্পট দেয় অভিযুক্ত রামপ্রসাদ। পুলিশ ঘাতক জামাইয়ের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। পারিবারিক অশান্তি কীভাবে এমন এক নৃশংস রূপ নিতে পারে, তা ভেবেই কূল কিনারা পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *