পুজোয় হোটেল-রেস্তোরাঁয় খাওয়ার আগে সাবধান! বড় বিপদের আশঙ্কায় রাজ্যজুড়ে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের

দুর্গাপুজো আসতে হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটি দিন বাকি। উৎসবের মরশুমে পর্যটকদের সুরক্ষায় এবার চরম কড়াকড়ি শুরু করল রাজ্য সরকার। সাম্প্রতিক সময়ে তারাপীঠের একটি হোটেল এবং মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডে পর্যটকদের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনার কোনো পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলির লাইসেন্স, ফায়ার এক্সিট এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খুঁটিয়ে দেখতে প্রশাসনিক বৈঠক ডাকা হয়েছে।
আজকের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন পুর ও নগর উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী, সচিব ছাড়াও দমকল বিভাগ এবং পর্যটন দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এর আগে গতকালই মুখ্যমন্ত্রী পর্যটকদের সুবিধার জন্য রাজ্যের প্রায় ৪০টি সরকারি হোটেল নতুন করে সাজানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন।
দিঘার হোটেল ও রেস্তোরাঁয় আচমকা বিরাট অভিযান
শুধু কলকাতাই নয়, ওল্ড দিঘা থেকে নিউ দিঘা—সারা চত্বরের হোটেল এবং নামী ফুড চেন থেকে শুরু করে সাধারণ খাবারের দোকানগুলিতেও একযোগে হানা দিয়েছে প্রশাসন। দুর্গাপুজোর সময়ে দিঘায় উপচে পড়া পর্যটকদের ভিড় সামাল দিতে এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই তদারকি। বিভিন্ন রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে পর্যটকদের বহুদিনের জমে থাকা নানা অভিযোগের ভিত্তিতে জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমারের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।
এদিনের এই বিশেষ টিমটিতে কাঁথির মহকুমা শাসক, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, স্থানীয় বিডিও এবং নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পুজোর মুখে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো রকম গাফিলতি বরদাস্ত করতে নারাজ রাজ্য প্রশাসন।