আন্দোলন প্রত্যাহার ঘিরে নয়া মোড়! যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে ‘দাগী আসামি’দের উপস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া পদক্ষেপ

যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থল থেকে ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে চিহ্নিত প্রায় ২,৮০০ অভিযুক্ত বা দাগী অপরাধীর বিরুদ্ধে এবার নতুন করে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই চাঞ্চল্যকর তথ্যের মাঝেই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) তরফে যে নতুন আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
সিজেপির মুখ্য মুখপাত্র সৌরভ দাস মঙ্গলবার জানান, বিক্ষোভস্থলে এত সংখ্যক অপরাধীর উপস্থিতি নিয়ে দিল্লি পুলিশ প্রথমে প্রবল উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। পুলিশের দাবি ছিল, ওই বিক্ষোভে মারধর ও সম্পত্তি নষ্টের মতো অভিযোগে অভিযুক্ত প্রায় ২,৮৭৩ জন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে সিজেপির যুক্তি ছিল, যদি সত্যিই এত সংখ্যক দাগী অপরাধী সেখানে উপস্থিত থেকে থাকে, তবে এতদিন তারা সমাজে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছিল কী করে? আর যদি তারা কোনো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত করে জেলে পাঠানো উচিত।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে ওই চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দিল্লিতে একটি পৃথক এফআইআর দায়ের করে তদন্ত চালানোর অনুমতি দিয়েছে। একইসঙ্গে, NEET বিক্ষোভের জেরে দায়ের হওয়া পুরনো মামলাগুলি সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে খারিজ করে দিয়েছে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ৯০ দিনের মধ্যে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্র সরকার যে আশ্বাস দিয়েছে, আদালত তা নিজের নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত করেছে। কেন্দ্রের এই ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং আইনি স্বীকৃতির পরই সিজেপি তাদের ৫ সেপ্টেম্বরের আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।