ছাত্রদের মন জিততে গিয়ে বড়সড় ফাঁপড়ে রাহুল গান্ধী! ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ সভায় একের পর এক মিথ্যা দাবির পর্দাফাঁস!

ছাত্রদের কথা শুনতে গিয়েই বড় বিতর্কে রাহুল গান্ধী! ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ সভায় করা তাঁর দাবিগুলি নিয়ে চাঞ্চল্যকর ফ্যাক্ট-চেক রিপোর্ট
দেশের যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দেশজুড়ে ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ (Chatron Ki Goonj) নামক বিশেষ সভার আয়োজন করে চলেছেন। কোটা, দেরাদুন, প্রয়াগরাজ থেকে শুরু করে পুণে—বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচি চললেও, তাঁর এই সভাগুলি ঘিরে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। যুবনেতার করা বিভিন্ন দাবি আদতে কতটা সত্য, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবার সামনে এল একটি কড়া তথ্য-যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেক রিপোর্ট।
ফ্যাক্ট-চেক রিপোর্টে ঠিক কী তথ্য উঠে এসেছে?
-
মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর দাবির পাহাড়: এক জেন-জি ক্রিয়েটরের তৈরি ‘ঝুট কি গুঞ্জ’ নামক ফ্যাক্ট-চেকিং ওয়েবসাইটে রাহুল গান্ধীর ৪০টি বক্তব্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। তার মধ্যে দেখা গেছে যে রাহুল গান্ধী প্রায় ২৯টি মিথ্যা দাবি করেছেন এবং ১১টি বিভ্রান্তিকর তথ্য পেশ করেছেন।
-
সরকারি পরিসংখ্যানের মুখোমুখি: সরকারি চাকরি, বেকারত্ব, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং অপরাধ সংক্রান্ত বিভিন্ন রিপোর্ট নিয়ে রাহুল গান্ধী যে সমস্ত তথ্য দিয়েছিলেন, তা সরকারি নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। ১৩৪টি নির্ভরযোগ্য সরকারি সূত্র ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই সত্যতা যাচাই করা হয়েছে, যেখানে তাঁর দাবিগুলি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে।
-
ভিডিও নিয়ে জালিয়াতি: শুধু মুখের কথাই নয়, রাহুলের সভার ভিড়ের একটি ভিডিও নিয়েও বড় জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ফ্যাক্ট-চেকে জানা গেছে, মেক্সিকোর একটি অনুষ্ঠানের পুরনো ভিড়ের ছবিকে রাহুল গান্ধীর সভার ভিড় বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
রাজনৈতিক মহলের মতে, যুবসমাজকে লক্ষ্য করে তৈরি এই উদ্যোগের জেরে উল্টো রাজনৈতিক মহলে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।