মাঠে নামলেন মাত্র ৭ বার বল ছুঁয়েই মাঠ ছাড়তে হলো রোনাল্ডোকে! কোচের সিদ্ধান্তে চরম ক্ষোভে ফেটেই পড়লেন সিআর সেভেন?

মাত্র ৭ বার বল পেয়েই মাঠ ছাড়লেন রোনাল্ডো, এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সিআর সেভেন
চলতি মরশুমে এই প্রথমবার আল নাসেরের প্রথম একাদশে মাঠে নেমেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। কিন্তু ম্যাচটি তাঁর জন্য সুখের হলো কই? প্রথমার্ধ শেষেই তাঁকে বেঞ্চে বসতে হলো কোচের সিদ্ধান্তে। তবে সিআর সেভেনকে তুলে নেওয়ার পরেও ১০ জনের আল নাসের দুরন্ত লড়াই চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে আল ইত্তিফাককে হারিয়ে এক অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল।
ম্যাচের শুরু থেকেই চরম নাটক দেখতে পায় ফুটবল বিশ্ব। মাত্র ১২ মিনিটেই আল নাসেরের গোলকিপার বেন্তো সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে বিপদে পড়ে দল। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আল ইত্তিফাক। প্রথমার্ধে মারাত্মকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়া রোনাল্ডো মাত্র সাতবার বল স্পর্শ করার সুযোগ পান, যার মধ্যে তাঁর একটি শট বারে লেগে প্রতিহত হয়।
কী বললেন কোচ? বিরতির ঠিক পরেই কোচ অ্যাঞ্জ পোস্তেকোগলু কৌশলগত কারণে রোনাল্ডোকে মাঠ থেকে তুলে নেন। ধারাভাষ্যকার ও দর্শকদের একাংশের মতে, মাঠ ছাড়ার সময় পর্তুগিজ তারকার চোখে-মুখে চরম হতাশা স্পষ্ট ছিল। তবে রোনাল্ডোকে ছাড়াই দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় দল। ৭৪ মিনিটে সাদিও মানে ব্যবধান কমানোর পর, তিন মিনিটের মাথায় আবদুল্লাহ আল-আমরি গোল করে সমতা ফেরান। এরপর ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে আবারও গোল করে দলের রোমাঞ্চকর জয় নিশ্চিত করেন মানে।
ম্যাচ শেষে কোচ পোস্তেকোগলু স্পষ্ট জানান যে, রোনাল্ডোকে তুলে নেওয়াটা সম্পূর্ণ দলের স্বার্থে এক কৌশলগত সিদ্ধান্ত ছিল এবং বদলি খেলোয়াড়রা মাঠে নেমে দারুণ প্রভাব ফেলেছেন। স্বস্তির খবর এটাই যে, রোনাল্ডো কোনো চোট পাননি এবং পরবর্তী ম্যাচে তাঁর মাঠে নামার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।