আমেরিকায় ১.৫ লক্ষ টাকার ভাড়াবাড়ি দেখতে কেমন? প্রিয়াঙ্কার ভিডিও দেখলে চোখ কপালে উঠবে!

আমেরিকা মানেই কি রূপকথার জীবন আর হাতের মুঠোয় স্বর্গ? অনেকেই এমন স্বপ্ন নিয়ে আটলান্টিক পার করেন, কিন্তু মাসের শেষে বাড়িভাড়ার খতিয়ান সামনে আসতেই আসল বাস্তবটা টের পান। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে ঠিক এই নির্মম সত্যতাই তুলে ধরেছেন প্রিয়াঙ্কা নামের এক ভারতীয় মহিলা। তাঁর শেয়ার করা সেই ভিডিও দেখেই এখন চোখ কপালে উঠেছে নেটপাড়ার। ভারতে দেড় লক্ষ টাকা মাসিক ভাড়ায় যেখানে আস্ত একটা প্রাসাদোপম অট্টালিকা বা বিলাসবহুল ভিলা অনায়াসে মিলে যায়, আমেরিকায় সেই একই পরিমাণ টাকা খরচ করে কেবল একটা সাধারণ টু-বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

আমেরিকায় আকাশছোঁয়া ভাড়ার আসল চিত্র
যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো বেশিরভাগ প্রবাসী ভারতীয়কেই মূলত ভাড়াবাড়িতে থেকেই তাঁদের নতুন জীবন শুরু করতে হয়। মার্কিন মুলুকে সম্পত্তি ও রিয়েল এস্টেটের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। হু হু করে বাড়তে থাকা এই ভাড়ার চাপ এখন সাধারণ মানুষের পকেটে বড়সড় টান ফেলছে। ভারতে যে পরিমাণ অর্থকে অত্যন্ত ভিআইপি এবং হাই-ফাই মানের বাজেট বলে মনে করা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ন্যূনতম মাথা গোঁজার ঠাঁই পেতে মধ্যবিত্ত পরিবারকে প্রায় ঠিক সমপরিমাণ অর্থই গজল হিসেবে গুনতে হয়।

দেড় লক্ষ টাকার ভাড়াবাড়িতে কী কী সুবিধা মেলে?
প্রিয়াঙ্কার শেয়ার করা ওই অ্যাপার্টমেন্ট ট্যুরে দেখা গেছে, এই চড়া ভাড়ার বিনিময়ে আদতে ঠিক কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা মিলছে। তিনি ভিডিওতে ব্যাখ্যা করেছেন যে, ওয়াশিং মেশিন এবং জুতোর র‍্যাকের মতো দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু জরুরি জিনিস বাড়ির সঙ্গেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এছাড়া ভারতের মতো এখানে আলাদা করে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করার বা নতুন সংযোগ নেওয়ার কোনো ঝামেলা নেই, বাড়িতে সেন্ট্রাল গ্যাস পাইপলাইন সম্পূর্ণ ফ্রি-তেই পাওয়া যায়। প্রিয়াঙ্কার মতে, দুটি শোবার ঘর ও দুটি বাথরুমের এই সাধারণ অ্যাপার্টমেন্টটি চার সদস্যের একটি ছোট পরিবারের থাকার জন্য যথেষ্ট হলেও, খরচের তুলনায় প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *