৫ দিনের চিকিৎসায় অবশেষে স্বস্তি! উডল্যান্ডস থেকে বাড়ি ফিরলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য

উদ্বেগ কাটিয়ে অবশেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। গত শুক্রবার তীব্র পেটে ব্যথা এবং সামান্য শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭৬ বছর বয়সি মীরাদেবী। পাঁচ দিন ধরে চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে থাকার পর মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়। একমাত্র ছেলে সুচেতন ভট্টাচার্যের সঙ্গে তিনি পাম অ্যাভিনিউয়ের নিজ বাসভবনে ফিরেছেন।
কেমন ছিল চিকিৎসা ও শারীরিক পরিস্থিতি?
হাসপাতাল সূত্রে খবর, ভর্তির পর মীরাদেবীর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে সিটি স্ক্যান ও কোলোনোস্কপির মতো বেশ কিছু পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় পেটের বাঁ দিকে একটি পুরু আস্তরণের উপস্থিতি ও প্রদাহ নজরে আসায় চিকিৎসক সৌতিক পণ্ডার নেতৃত্বে একটি বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। কার্ডিওলজিস্ট এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলার পর বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে। অতিরিক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন না হওয়ায় তাঁকে রুম এয়ারেই রাখা হয়েছিল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত শনিবার তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
চিকিৎসকদের মজার অভিযোগ ও মীরাদেবীর উত্তর
এ দিন হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময় চিকিৎসকরা মীরাদেবীকে খাওয়াদাওয়া নিয়ে কিছুটা তিরস্কারের সুরেই বোঝান যে তিনি ঠিকমতো খাবার খান না। চিকিৎসকদের সেই স্নেহের অনুযোগের মুখে পড়ে মীরাদেবী মৃদু হেসে বলেন, “কিছু না খেলে তো মরেই যেতাম, আমি অল্প খেতাম।” চিকিৎসকরা তাঁকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে এখন থেকে নিয়মিত ও সময়মতো পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। আপাতত চিকিৎসকদের কঠোর পরামর্শ মেনেই তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে।