চাকরি হারাচ্ছেন না ১৫০ আয়া দিদি! ৩১ অগস্টের ডেডলাইনের আগেই সরকারের বিরাট পদক্ষেপ

চরম অনিশ্চয়তা এবং কাজ হারানোর আতঙ্কের মাঝেই অবশেষে স্বস্তির নিশ্বাস। রাজ্যের ১৫০ জন ‘আয়া দিদি’কে তাঁদের পুরনো কর্মস্থলেই বহাল রাখার বড়সড় উদ্যোগ নিল সরকার। ৩১ অগস্টের কড়া নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে যে আতঙ্কের মেঘ ঘনিয়েছিল, সরকারের এই মানবিক পদক্ষেপে তা অনেকটাই কাটতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
কেন তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা?
সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করে ১৫০ জন আয়া কর্মীকে আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে হাসপাতাল ছাড়ার কথা জানানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত থাকা এই কর্মীদের কাছে নির্দেশিকাটি ছিল বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। রাতারাতি কাজ হারানোর আশঙ্কায় চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন তাঁরা।
এক নজরে পুরো বিষয়টি:
-
নির্দেশিকা জারি: ৩১ অগস্টের মধ্যে আয়া দিদিদের কর্মস্থল বা হাসপাতাল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
-
মানবিক আবেদন: রুটিরুজি হারানোর ভয়ে দিশেহারা আয়া কর্মীরা সরাসরি সরকারের দ্বারস্থ হন এবং চাকরি বহাল রাখার কাতর আর্জি জানান।
-
সরকারের ইতিবাচক সাড়া: কর্মীদের সেই আকুল আবেদনে সাড়া দিয়ে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টি বিবেচনা করেছে প্রশাসন।
পুরোনো হাসপাতালেই মিলবে কাজের সুযোগ
সরকারের কাছে করা আয়া দিদিদের মানবিক আবেদন বৃথা যায়নি। প্রশাসন সূত্রে খবর, তাঁদের পুরনো কর্মস্থলেই, অর্থাৎ তাঁরা আগে যে হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন, সেখানেই তাঁদের পরিষেবা চালু রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আয়া কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীদের দৈনন্দিন পরিচর্যায় তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। সরকারের এই সিদ্ধান্তে শুধু আয়া কর্মীরাই নন, স্বস্তি পেয়েছে রোগীদের পরিবারও।
আপাতত কাজ হারানোর দুশ্চিন্তা দূরে সরিয়ে ফের নতুন উদ্যমে রোগীদের সেবায় ব্রতী হতে পারবেন এই ১৫০ জন আয়া কর্মী।
আপনার কি মনে হয় স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এই আয়া কর্মীদের চাকরির আরও বেশি নিরাপত্তা ও স্থায়ীকরণ প্রয়োজন?