গেমিং প্রেমিদের জন্য বিরাট চমক! দুর্দান্ত ডিসপ্লে ও মেগা ব্যাটারির সঙ্গে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে নতুন স্মার্টফোন

প্রযুক্তির বাজারে উত্তেজনা বাড়িয়ে শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে টেক ব্র্যান্ড iQOO-র নতুন হ্যান্ডসেট। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নতুন স্মার্টফোন iQOO Neo 11 Ultra চিনের বাজারে লঞ্চ হতে চলেছে। এই ফোনটিকে ঘিরে প্রযুক্তিপ্রেমী মহলে ইতিমধ্যেই ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স
গেমিং এবং হাই-পারফরম্যান্স অ্যাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা মসৃণ করতে এই হ্যান্ডসেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই ফোনে MediaTek-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি বিশেষ Dimensity 9500M চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এই শক্তিশালী প্রসেসর যেমন দারুণ পারফরম্যান্স দেবে, তেমনই বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতেও সক্ষম। এছাড়া গেমিংয়ের গতি বাড়াতে এতে যুক্ত করা হয়েছে ‘মনস্টার সুপার কোর ইঞ্জিন’, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের সময়েও ব্যাটারি খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।
ডিসপ্লে ও ডিজাইন
ফোনের ডিসপ্লের ক্ষেত্রেও বড় চমক রয়েছে। iQOO-র দাবি অনুযায়ী, এটি বিশ্বের এমন প্রথম স্মার্টফোন যেখানে F2 লিউমিনেসেন্ট মেটেরিয়াল ব্যবহার করা হয়েছে। এর স্ক্রিন সর্বোচ্চ ২০০০ নিটস পর্যন্ত ব্রাইটনেস দিতে সক্ষম, যার ফলে চড়া রোদেও স্ক্রিনের লেখা বা ছবি অত্যন্ত স্পষ্ট দেখা যাবে। পাশাপাশি, চোখের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এতে বিশেষ আই-প্রটেকশন ফিচার রাখা হয়েছে, যা কম আলোতে ব্যবহারের সময় চোখের ওপর চাপ কমাবে। ডিজাইনের দিক থেকেও ফোনটিতে আকর্ষণীয় 3D লাইট ফ্লো এফেক্ট এবং ম্যাট ফিনিশযুক্ত মেটাল ফ্রেম দেওয়া হয়েছে।
লঞ্চ ও প্রাপ্যতা
চিনের বাজারে ফোনটির প্রি-বুকিং ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী সন্ধে ৭টায় ইভেন্টটি ধার্য করা হয়েছে, যা ভারতীয় সময় অনুযায়ী বিকেল ৪:৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ভারতীয় বাজারে এই ফোনটি কবে লঞ্চ হবে এবং এর সঠিক দাম কত রাখা হবে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি সংস্থা। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংস্থার অফিসিয়াল ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।