বাবর আজমকে নিয়ে পিসিবিকে বিরাট পরামর্শ রশিদ লতিফের! ইংল্যান্ডে নামার আগেই কেন এই সতর্কবার্তা?

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তান দলে জমকালো প্রত্যাবর্তন ঘটেছে বাবর আজমের। তাঁর নেতৃত্বেই এবার ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের কঠিন টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে পাকিস্তান দল। আগামী ১৯ আগস্ট লিডসের হেডিংলিতে শুরু হতে চলেছে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ, যা চলবে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। তবে এই মেগা সিরিজ শুরুর আগেই পাকিস্তানের মহাতারকা ব্যাটার ও অধিনায়ক বাবর আজমকে নিয়ে পিসিবিকে এক অতি মূল্যবান ও চমকপ্রদ পরামর্শ দিলেন দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ।
টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব ফিরে পাওয়ার পর বাবর আজমের সামনে এবার এক অত্যন্ত কঠিন ও বড় চ্যালেঞ্জ। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাদেরই চেনা কন্ডিশনে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে পাকিস্তান দল। আগামী ১৯ আগস্ট লিডসের হেডিংলিতে শুরু হতে চলেছে সিরিজের প্রথম মেগা টেস্ট ম্যাচ, যা চলবে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। তবে এই অগ্নিপরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই দলের অধিনায়ক বাবর আজমকে নিয়ে পিসিবি (PCB) ও টিম ম্যানেজমেন্টকে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ।
কেন এই সতর্কতা? রশিদ লতিফ স্পষ্টভাবে মনে করেন, ইংল্যান্ডের মাটিতে এই কঠিন সফরে বাবর আজমকে যতটা সম্ভব ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ও মিডিয়ার মুখোমুখি হওয়া থেকে দূরে রাখা উচিত। পরিবর্তে, দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার তথা সাবেক টেস্ট অধিনায়ক শান মাসুদকে মিডিয়ার সামনে বেশি করে পাঠানোর পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন তিনি।
একটি বিশেষ পডকাস্ট বা অনুষ্ঠানে নিজের মতামত ব্যক্ত করে রশিদ লতিফ বলেন, “ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ সবসময়ই অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। ইংরেজ সংবাদমাধ্যম ও মিডিয়া প্রায়ই সফরকারী দল এবং তাদের প্রধান তারকা খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে চাপে ফেলতে বা নানা অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করে খবরের শিরোনামে আসার চেষ্টা করে। বাবর নিঃসন্দেহে দলের অন্যতম সেরা ও বিশ্বমানের ব্যাটার। তাই টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম কাজ হওয়া উচিত তাঁকে ইংরেজ মিডিয়ার এই মানসিক ফাঁদ ও জল্পনা থেকে সুরক্ষিত রাখা।”
শান মাসুদের ওপর ভরসা রাখার যুক্তি: নিজের এই দাবির সপক্ষে যুক্তি দিয়ে রশিদ লতিফ আরও যোগ করেন যে, শান মাসুদের দীর্ঘ দিন কাউন্টি ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে ইংরেজ কন্ডিশন এবং সে দেশের সংবাদমাধ্যমকে কীভাবে ঠান্ডা মাথায় সামলাতে হয়, সে সম্পর্কে তিনি সম্যক্ ওয়াকিবহাল। তাই দলের স্বার্থেই মিডিয়ার মুখোমুখি হওয়ার এই বাড়তি দায়িত্ব শান মাসুদের কাঁধেই ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন এই প্রবীণ পাক ক্রিকেটার।