‘মার্ক জুকেরবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে!’ প্রধানমন্ত্রীর রিল ডিলিট কাণ্ডে মেটাকে চরম হুঁশিয়ারি কেন্দ্রের

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে শিশুদের যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের বাড়বাড়ন্ত এবং বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ফেসবুক রিল আচমকা ব্লক করে দেওয়ার ঘটনায় প্রবল তোপের মুখে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা (Meta)। এই সমস্ত গুরুতর বিষয়ে মেটার শীর্ষ স্তরের আধিকারিকদের গত ৫ এবং ৬ আগস্ট কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে বৈঠকে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

কেন্দ্রের কড়া অবস্থান ও জবাবদিহি

কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস. কৃষ্ণান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, শিশুদের যৌন হেনস্থা সম্পর্কিত বেআইনি কন্টেন্ট (CSAM) দমন করতে এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভেরিফায়েড প্রোফাইলের সুরক্ষায় মেটা কেন বারবার ব্যর্থ হচ্ছে, তা বৈঠকে স্পষ্ট করতে হবে। ভিভিআইপি বা প্রধানমন্ত্রীর মতো সংবেদনশীল অ্যাকাউন্টগুলির সুরক্ষায় আরও শক্তিশালী ‘সেফগার্ড’ কেন রাখা হয়নি, তা নিয়েও কড়া জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে।

জুকেরবার্গকে ক্ষমা চাওয়ার হুঁশিয়ারি

বিতর্ক এখানেই থামেনি। সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান নিশিকান্ত দুবে মেটাকে এক হাত নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, খোদ মেটা সিইও মার্ক জুকেরবার্গ (Mark Zuckerberg) যদি দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও গায়েব হওয়ার এই অনভিপ্রেত ঘটনায় প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান, তবে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিশেষ আইনি সুরক্ষা (Legal Immunity) হারাতে পারে সংস্থাটি।

যদিও এই বিতর্ক জোরালো হতেই মেটা কর্তৃপক্ষ তাদের অ্যালগরিদমের ত্রুটি বা টেকনিক্যাল গ্লিচের কথা স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করেছে এবং পরে ভিডিওটি পুনরুদ্ধার করেছে, তবুও কেন্দ্রের এই কড়া পদক্ষেপে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *