ভয়াবহ পরিস্থিতি এই রাষ্ট্রের, কোনো সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলেই গুলি চালানোর নির্দেশ সেনাকে

খুবই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। ভাঙচুর, বিক্ষোভ, লুঠ, খুন, হত্যা চলছেই দেশে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এবার সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করতে দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেনা এবং পুলিশকে।

জনরোষে জ্বলছে শ্রীলঙ্কা
চরম সংকটে এই শাসকহীন দেশ। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর থেকে শুরু করে অগ্নিসংযোগ। একের পর এক অশান্তি দানা পাকছে শ্রীলঙ্কায়। দেশের পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। পুড়িয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী রাজাপক্ষের পৈত্রিক ভিটে। প্রাণ বাঁচাতে নিজের পরিবারকে নিয়ে নৌ সেনা ঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে শাসক দলের নেতা মন্ত্রীদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ
সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করতে দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেনা ও পুলিশকে। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর তাঁর সরকারি আবাসনকেও টার্গেট করে ভাঙচুর করেছে বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত জারি করা হয়েছে কড়া নির্দেশিকা। প্রচুর পরিমানে সেনা এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে রাস্তায়। জারি করা হয়েছে কার্ফু।

ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা
শ্রীলঙ্কার সরকারি কর্মীরা সামিল হয়েছে ধর্মঘটে। এমনকী শ্রীলঙ্কা সিভিল সার্ভিসের কর্মীরা ধর্মঘট শুরু করে দিয়েছেন। গত ৫০ বছরে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখেনি দেশ। শ্রীলঙ্কায় দেখা দিয়েছে চরম অর্থনৈতিক সংকট। এরপর থেকেই বেশাসক দলের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান শুরু হয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রে।শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক মহল।

সংঘর্ষ বাড়ছে শ্রীলঙ্কায়
পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে দ্বীপরাষ্ট্রে। রাস্তায় রাস্তায় সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগের ঘটনা বাড়ছে। শাসক দলের নেতা মন্ত্রীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বারবার দেশবাসীকে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলের নেতা মন্ত্রীরা। রাজাপাক্ষের দলেকর চরম দুর্নীিত আর নৈরাজ্যের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *