আন্দোলন মানেই কি সরকার ফেলে দেওয়া? বিক্ষোভকারীদের তীব্র আক্রমণ করলেন কঙ্গনা

সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতেই উত্তপ্ত দিল্লির আকাশ-বাতাস। একদিকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র তীব্র আন্দোলন, অন্যদিকে পালটা সরব শাসকদল। এবার এই পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলে CJP-কে সরাসরি আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।
কী বললেন কঙ্গনা?
সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কঙ্গনা রীতিমতো তোপ দাগেন। তাঁর কথায়, নির্বাচিত সরকারকে এইভাবে আন্দোলনের চাপে ফেলে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা একেবারেই ‘অমানবিক’ এবং গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারবহির্ভূত।
কঙ্গনা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “গণতন্ত্রে মানুষ ভোট দিয়ে সরকার বেছে নেয়। এখন কোনো সংগঠন বা আন্দোলনের চাপের মুখে পড়ে কে মন্ত্রী থাকবেন, আর সরকার কী সিদ্ধান্ত নেবে—তা ঠিক করা যায় না। সরকারকে এভাবে ‘আর্ম-টুইস্ট’ (বাধ্য করা) করা মোটেও কাম্য নয়।”
সংসদই আলোচনার সঠিক জায়গা
বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে কঙ্গনার পরামর্শ, “জনস্বার্থের যেকোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সঠিক জায়গা হলো সংসদ। সেখানে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা সম্ভব। কিন্তু রাজপথে আন্দোলন করে অকারণে অস্থিরতা তৈরি করা ঠিক নয়।”
প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত দিল্লি। সোনম ওয়াংচুকের মতো ব্যক্তিত্বরা এই আন্দোলনে সমর্থন জুগিয়েছেন। আন্দোলনকারীরা মনে করছেন, সরকার জনমতের তোয়াক্কা করছে না। ঠিক সেই সময়েই কঙ্গনার এই মন্তব্য শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে বাকযুদ্ধ শুরু করে দিল।