মায়ের পর বাবা-ও কি খুন? জয়পুর হত্যা মামলায় আইনি ছাত্রীর বিরুদ্ধে উঠল ভয়ঙ্কর অভিযোগ!

গত ৩ জুলাই এসইউভি (SUV) গাড়ির ধাক্কায় নিহত হন জয়পুর আদালতের ক্লার্ক নীরজ শর্মা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এটি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মায়ের সরকারি চাকরি ও পারিবারিক সম্পত্তির লোভে আয়ুশী তার তুতো ভাই বলরামের সাহায্য নিয়ে ৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে খুনি দিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
বাবার মৃত্যুর রহস্য:
মৃতার ভাই রাকেশ শর্মা অভিযোগ করেছেন, আয়ুশীর বাবা বিজয় শর্মা যখন মস্তিষ্কে স্ট্রোকের কারণে অসুস্থ ছিলেন, তখন আয়ুশী ও বলরাম তাকে আত্মীয়দের থেকে আড়াল করে রেখেছিল। তিন মাস কোনো খবর না দেওয়ার পর, বিজয় শর্মাকে মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়ি আনা হয়। রাকেশের দাবি, আয়ুশী তখন তার বাবার ফিডিং টিউব খুলে ফেলেছিল, যার ফলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এখন এই অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
তদন্তে যা জানা গেল:
পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য:
সম্পত্তির হাতবদল: মা ও বাবা—উভয়কেই সরিয়ে দিয়ে পুরো সম্পত্তির দখল নিতে চেয়েছিল আয়ুশী ও তার সহযোগীরা।
সুপারি কিলার: ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৫ জন ভাড়াটে খুনিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পলাতক বলরাম: মূল অভিযুক্ত বলরাম বর্তমানে পলাতক এবং তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। বলরামের বাবা মোহনকেও এই ষড়যন্ত্রের অন্যতম শরিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সম্পর্ক: তদন্তকারীদের দাবি, আয়ুশী ও তার তুতো ভাই বলরাম প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ছিল এবং তারাই পুরো ঘটনার মূল ছক কষেছিল।
ইতোমধ্যে পাঁচজন খুনি ধরা পড়লেও বলরামের গ্রেপ্তার হওয়া সময়ের অপেক্ষা বলে জানিয়েছে পুলিশ। আইন পড়ার মাঝেই কেন এই পৈশাচিক পথ বেছে নিল আয়ুশী, তা খতিয়ে দেখতে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।