বুদ্ধ মূর্তি চুরি ও প্রহরী হত্যা: দুই দশকের বেশি সময় পর বড় সাফল্য তদন্তকারী সংস্থার

সুদীর্ঘ ২৪ বছর ধরে চলা এক ধুরন্ধর মামলার চূড়ান্ত মোড়। ২০০২ সালে প্রয়াগরাজের প্রত্নতাত্ত্বিক গড়োয়া দুর্গে ডাকাতি, প্রহরী হত্যা এবং ভগবান বুদ্ধের প্রাচীন মূর্তি চুরির ঘটনায় জড়িত শেষ পলাতক অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করল সিবিআই। ধৃতের নাম রামনারায়ণ ওরফে হায়দার। উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুর জেলার খাকেরু থানার নাসিরপুর গ্রাম থেকে শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কী ঘটেছিল ২০০২ সালে? তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালের ২১-২২ এপ্রিল রাতে বিজয় কুমার শুক্লার নেতৃত্বে ১১ জনের একটি দুষ্কৃতী দল গড়োয়া দুর্গে হানা দেয়। সেই সময় কর্তব্যরত প্রহরী বিনোদ কুমার শ্রীবাস্তবকে তারা মুখ চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর গুদামঘরের তালা ভেঙে একটি মূল্যবান পাথরের বুদ্ধ মূর্তি চুরি করে পালায়। অভিযোগ রয়েছে, মূর্তিটি সরানোর সময় দু টুকরো হয়ে যায় এবং পরে তা ২.২০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দিল্লিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যেখান থেকে তা বিদেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল।

কীভাবে ধরা পড়ল অভিযুক্তরা? ঘটনার দীর্ঘ সময় পার হলেও সিবিআই হাল ছাড়েনি। ২০০৫ সালে ১০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হলেও বিজয় কুমার শুক্লা, রবি করণ, সুরজ ভান এবং রামনারায়ণ—এই চারজন পলাতক ছিল। সিবিআই-এর বিশেষ দল নিরন্তর নজরদারি ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে সাম্প্রতিক সময়ে একে একে সবাইকে জালে তোলে:

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *