বাড়ির অশুভ শক্তি দূর করতে চান? মেনে চলুন বাস্তুশাস্ত্রের এই বিশেষ টোটকাগুলো

আমাদের অগোচরেই অনেক সময় বাড়ির পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে বা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অশান্তি দেখা দেয়। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানত সদর দরজা বা জানালা দিয়েই নেতিবাচক শক্তি বাড়িতে প্রবেশ করে। জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে বাড়ির পরিবেশকে শুদ্ধ ও পজিটিভ রাখা সম্ভব।
১. রক সল্ট বা সামুদ্রিক লবণের ব্যবহার
সদর দরজা ও তার চারপাশ সবসময় পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। সপ্তাহে অন্তত দুবার—বিশেষ করে মঙ্গলবার ও শনিবার—ঘর মোছার জলে সামান্য রক সল্ট বা সামুদ্রিক লবণ মিশিয়ে নিন। এই নোনা জল দিয়ে সদর দরজা ও বাড়ির প্রবেশপথ মুছলে নেগেটিভিটি দ্রুত দূর হয় এবং বাড়ির পরিবেশ নির্মল থাকে।
২. বাস্তুদোষ কাটাতে ফিটকিরির পুঁটলি
পরিবারের স্বাস্থ্য, পড়াশোনা বা ব্যবসায় যদি নজর লাগে বা অবনতি হয়, তবে ফিটকিরির ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকরী। একটি কালো কাপড়ে ছোট এক টুকরো ফিটকিরি বেঁধে নিন। এটি বাড়ির সদর দরজার ভেতরে বা বাইরে ঝুলিয়ে দিন। একইভাবে দোকানের কাউন্টার বা অফিসের কেবিনেও এটি রাখতে পারেন, যা কুনজর থেকে সুরক্ষা প্রদান করবে।
৩. সদর দরজায় ‘ওম’ বা স্বস্তিক চিহ্ন
বাস্তুশাস্ত্রে সদর দরজার চৌকাঠকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হয়। এই চৌকাঠকে শক্তিশালী করতে কেশর ও গরুর ঘি মিশিয়ে সদর দরজার ওপরে ‘স্বস্তিক’ বা ‘ওম’ চিহ্ন এঁকে রাখুন। বিকল্প হিসেবে আপনি পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি বা সদর দরজার উপরে ঘোড়ার নালও লাগাতে পারেন, যা অশুভ শক্তিকে রুখে দেয়।
৪. কর্পূরের ধোঁয়া: নেগেটিভিটি তাড়ানোর সহজ উপায়
সূর্যাস্তের সময় বা সন্ধ্যার দিকে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে। এটি দূর করতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় একটি মাটির প্রদীপ বা পিতলের পাত্রে ২-৩টি কর্পূরের টুকরো ও ২টি লবঙ্গ রেখে তাতে আগুন ধরিয়ে দিন। এই কর্পূরের ধোঁয়া বাড়ির প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে দিন। এটি বাড়ির বাতাসকে শুদ্ধ করে এবং মন শান্ত রাখে।