সন্ত্রাসের নাম মঙ্গলকোট: পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কী বললেন নতুন বিধায়ক?

একটা সময় পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট মানেই ছিল রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বোমাবাজি আর আতঙ্কের সমার্থক। বাম আমল থেকে তৃণমূল—দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে ‘সন্ত্রাসের জনপদ’ হিসেবেই বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে এই বিধানসভা। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মঙ্গলকোটের মসনদ এখন বিজেপির দখলে। নতুন বিধায়ক হিসেবে জয়ী হয়েছেন শিশির ঘোষ। প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে কি সত্যিই ঘুচবে মঙ্গলকোটের দীর্ঘদিনের অশান্তির অভিশাপ?
শান্তি ও উন্নয়নের নতুন পথ? নির্বাচনী জয়ের পর মঙ্গলকোটের আপামর জনসাধারণ এখন তাকিয়ে উন্নয়নের দিকে। সন্ত্রাসের বদলে এলাকাটিতে শান্তি ফিরবে কি না, তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এই পরিস্থিতিতে এলাকাটির ভবিষ্যৎ রূপরেখা জানতে ইটিভি ভারতের প্রতিনিধি পুলক যশ মুখোমুখি হয়েছিলেন মঙ্গলকোটের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক শিশির ঘোষের।
বিধায়কের প্রতিশ্রুতি দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ইতিহাস মুছে ফেলার চ্যালেঞ্জ এখন শিশির ঘোষের সামনে। বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি শান্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন বার্তা দিতে চেয়েছেন। সাধারণ মানুষ আশা করছেন, দলের গণ্ডি পেরিয়ে এবার হয়তো মঙ্গলকোটে প্রকৃত উন্নয়নের জোয়ার আসবে এবং রাজনীতির নামে হিংসার কালো অধ্যায় চিরতরে শেষ হবে।
এখন দেখার বিষয়, নতুন জনপ্রতিনিধির হাত ধরে মঙ্গলকোটের পুরনো ‘সন্ত্রাসের তকমা’ মুছে যায় কি না, আর উন্নয়নের সুফল কতটা দ্রুত পৌঁছায় স্থানীয় মানুষের দোরগোড়ায়।