ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক সন্ধি? আমেরিকার এই শর্ত মানলেই বদলে যাবে সম্পর্কের সমীকরণ!

দীর্ঘদিনের তিক্ততা কাটিয়ে কি এবার নতুন মোড় নিতে চলেছে আমেরিকা-ইরান সম্পর্ক? সুইজারল্যান্ডে আয়োজিত এক নজিরবিহীন বৈঠকের ঠিক আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্ব রাজনীতিতে। তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ‘আমূল বদলে ফেলতে’ আমেরিকা প্রস্তুত বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। তবে এই বন্ধুত্বের পথ সহজ নয়, তার জন্য ইরানকে মানতে হবে কঠোর দুটি শর্ত।

কী সেই শর্ত? মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরান যদি মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা তৈরির ‘মূল কারিগরের’ ভূমিকা থেকে সরে আসে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা চিরতরে ত্যাগ করে, তবেই ওয়াশিংটন তাদের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে রাজি। অর্থাৎ, নিরাপত্তা ও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ—এই দুই ইস্যুতেই আপাতত আটকে রয়েছে দুই দেশের ভবিষ্যৎ।

কেন এই বৈঠক এত গুরুত্বপূর্ণ? সুইজারল্যান্ডের একটি বিলাসবহুল রিসর্টে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করেছেন ভ্যান্স। তিনি বলেন, “এর আগে ইরান ও আমেরিকার শীর্ষ নেতৃত্ব কখনোই এতটা উচ্চপর্যায়ে সরাসরি আলোচনায় বসেননি।” হোয়াইট হাউসের সরাসরি তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই বৈঠকটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন কোনো সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাইডেন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তেহরানের মনোভাবের ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের আগামী দিনের ভূ-রাজনীতি। ইরান এই শর্তে রাজি হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *