পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন? আকাসা এয়ারের হাত ধরে খুলে গেল সাফল্যের নতুন দুয়ার!

বিমান চলাচল খাতে ক্যারিয়ার গড়ার এক সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে এল আকাসা এয়ার। ক্রমবর্ধমান পাইলট সংকট মেটাতে এবং নতুন প্রজন্মের ক্যাডেটদের জন্য ককপিটে প্রবেশের পথ সহজ করতে সংস্থাটি চালু করেছে তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পাইলট ট্রেনিং একাডেমি প্রোগ্রাম— ‘আকাসা স্কাইক্যাডেট’ (Akasa SkyCadet)

কেন এই উদ্যোগ? ভারতে বিমান চলাচল খাতের অভাবনীয় সম্প্রসারণ ঘটছে। আগামী এক দশকে ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলো তাদের বহরে ১,৭০০-এরও বেশি নতুন বিমান যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ফলে ২০৩৫ সালের মধ্যে হাজার হাজার নতুন পাইলটের প্রয়োজন হবে। বর্তমানে দক্ষ পাইলট ও ফ্লাইট ক্রুর অভাবে প্রায়ই ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে বিভিন্ন বিমান সংস্থা। সেই সংকট মোকাবিলা করতেই আকাসা এয়ার সরাসরি প্রশিক্ষণ দেওয়ার এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে।

কী থাকছে ‘আকাসা স্কাইক্যাডেট’ প্রোগ্রামে? আকাসা এয়ারের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স (Boeing 737 Max) বিমানের ককপিটে নতুন পাইলটদের তৈরি করতে এই প্রোগ্রামটি সাজানো হয়েছে। প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংস্থাটি ‘স্কাইনেক্স অ্যারো’ (Skynex Aero) এবং ‘ডিউন্স এভিয়েশন একাডেমি’ (Dunes Aviation Academy)-র সাথে জোট বেঁধেছে।

  • প্রশিক্ষণের ধাপ: গ্রাউন্ড স্কুল প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে উন্নত ফ্লাইট নির্দেশনা এবং বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানের জন্য চূড়ান্ত ‘টাইপ রেটিং সার্টিফিকেশন’—সবই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই প্রোগ্রামে।

  • সরাসরি সুযোগ: প্রশিক্ষণের পর ক্যাডেটদের জন্য সরাসরি আকাসা এয়ারের ককপিটে কাজের সুযোগ পাওয়ার পথটি আগের চেয়ে অনেক বেশি মসৃণ হবে।

কেন বিমান চলাচল খাত সম্ভাবনাময়? পাইলট সংকট কাটাতে বিমান সংস্থাগুলো বর্তমানে অত্যন্ত আকর্ষণীয় বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। একটি সীমিত দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভর করে চলায়, এই খাতে এখন চাকরির চাহিদা আকাশছোঁয়া। যারা এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে চান, তাদের জন্য বর্তমান সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আকাসা এয়ারের এই উদ্যোগ একদিকে যেমন সংস্থার নিজস্ব পাইলট সংকট দূর করবে, অন্যদিকে তরুণদের জন্য খুলে দেবে ক্যারিয়ার গড়ার এক নতুন ও উজ্জ্বল দিগন্ত।