দিল্লির পর এবার পুনে! শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে রাজপথে নামছে CJP, তুঙ্গে উত্তেজনা

নিট (NEET-UG) প্রশ্ন ফাঁস এবং সিবিএসই (CBSE) খাতা মূল্যায়নে দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরের পর এবার আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে মহারাষ্ট্রের পুনেকে বেছে নিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। আগামী ১১ জুন, মঙ্গলবার পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে এই যুব সংগঠনটি।

দিল্লির পর পুনে কেন? গতকালের দিল্লিতে আয়োজিত প্রথম অন-গ্রাউন্ড কর্মসূচি শেষে CJP-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে কেন্দ্রীয় সরকারকে ৭ দিনের চরম সময়সীমা বা ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন, দিল্লির বিক্ষোভ তো ছিল স্রেফ ‘ট্রেলার’, আসল সিনেমা এখনও বাকি। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই ‘অক্সফোর্ড অফ দ্য ইস্ট’ হিসেবে পরিচিত পুনেতে আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু করতে চলেছে তারা।

কী জানিয়েছে CJP? সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের এক্স (X) হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “মহারাষ্ট্রের শিক্ষানগরী পুনেতে দাঁড়িয়ে এবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলবে আরশোলারা। পুনে শহরের কতজন আরশোলা এই লড়াইয়ে আমাদের সাথে যোগ দিচ্ছেন?”

কর্মসূচির বিশদ:

  • সময়: ১১ জুন, মঙ্গলবার, বিকেল ৪টে।

  • স্থান: সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে ইউনিভার্সিটি (SPPU)-র মূল চত্বর।

  • স্লোগান: দলের নেতা অভিজিৎ দিপকে মহারাষ্ট্রের ছাত্রসমাজকে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “চলুন, এবার পুনেতে দেখা হচ্ছে! জয় মহারাষ্ট্র!”

প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই স্যাটায়ারধর্মী সংগঠনটির জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। ইনস্টাগ্রামে ২২ মিলিয়নেরও বেশি ফলোয়ারের অধিকারী এই যুব ফ্রন্টের জনপ্রিয়তা যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়ছে, তা রীতিমতো চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে। নিট ও সিবিএসই দুর্নীতি ইস্যুতে আরশোলা মাস্ক পরা হাজার হাজার পড়ুয়াদের এই ‘অহিংস প্রতিরোধ’ আন্দোলন কতটা জোরালো হয়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় দেশবাসী।