ধাঁধা: ভদ্রলোক তো খুঁজে খুঁজে নাজেহাল, দেখুন তো আপনি কী খুঁজে পেলেন তার কুকুরটি?

আমরা যারা কুকুর ভালোবাসি, বাড়িতে কখনো না কখনো রেখেছিও, তারা নিশ্চয়ই নড়ে-চড়ে বসব এমন একটা ধাঁধা পেয়ে! বসারই তো কথা, একে তো খেলা হচ্ছে অপটিক্যাল ইলিউশনের, তার ওপরে আবার এর মধ্যে জড়িয়ে রয়েছে প্রিয় কুকুরের ব্যাপারটাও। সাধারণত কোনো কারণে চেন দিয়ে বাঁধতে হলে হাতের নাগালে প্রিয় পোষ্যটিকে খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে ওঠে।
অবশ্য, বেড়াতে যাওয়ার সময় হলে সেই বরং আমাদের তিষ্ঠোতে দেয় না। আপাতত যে অপটিক্যাল ইলিউশনটা নিয়ে কথা হচ্ছে, সেই ছবিটা দেখে এটাই মনে হচ্ছে যে ভদ্রলোক তার প্রিয় পোষ্যটিকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার জন্য তৈরি। সমস্যা হলো এই যে পোষ্যটিকে তো খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে কুকুরটা গেল কোথায়?
সেটাই তো হলো প্রশ্ন! এই অপটিক্যাল ইলিউশনে দেখা যাচ্ছে সুন্দর এক বসার ঘর, পশ্চিমি কোনো শহরের। সেখানে সুন্দর করে সাজানো আছে সেন্টার টেবিল, তাকে ঘিরে মুখোমুখি দুই সোফা, একদিকে ড্রয়ার, ফায়ার প্লেস, তার পাশে একটা তাক, সেখানে কত কী না সাজিয়ে রাখা। মেঝে জুড়ে বিছিয়ে আছে নরম হলুদ রঙের গালচে। আর এতো কিছুর মধ্যে কলার হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে পুরোপুরি হতভম্ব এক ভদ্রলোক পোষ্য তাহলে গেল কোথায়?
বলা হচ্ছে যে এই অপটিক্যাল ইলিউশনটা না কি বেশ বেয়াড়া ধরনের! সে দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তা আর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার অধিকারীদের আত্মবিশ্বাসকেও সঙ্কটের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। খুব কমই রয়েছেন যারা মাত্র ১১ সেকেন্ডের মধ্যে ধরে ফেলতে পেরেছেন যে কুকুরটা কোথায় আছে। এই ব্যাপারে নিজের বাড়ির পোষ্যর স্বভাবের কথাও ভেবে দেখা যায় বই কি! শীতকালে সে কোথায় গা এলাতে পছন্দ করে? পাপোষে বা গালচের ওপরে, তাই তো? এই কুকুরটাও কিন্তু শুয়ে আছে গালচের ওপরেই।

কিন্তু ঐ অপটিক্যাল ইলিউশন যে তীরে এসেও তরী ডুবিয়ে দেয়। গালচের ওপরে কুকুর শুয়ে আছে, এটা বলে দেওয়া সত্ত্বেও অনেকেরই খুঁজে পেতে অসুবিধে হতেই পারে। কেন না, কুকুর আর গালচের রং- দুই গিয়েছে একে অপরের সঙ্গে মিশে। গালচের ডান দিকের কোণে ভালো করে নজর দিলে তবেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। সত্যিই ছবিটা বেশ অপদস্থ করার মতো, তাই না?