লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বদলে ৩০০০ টাকা! ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম প্রকাশ, কীভাবে পাবেন? জানুন বিস্তারিত

রাজ্যের মহিলাদের জন্য নবান্ন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। নতুন এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের মহিলারা প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।

প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো এক নজরে:

  • সময়সীমা ও প্রক্রিয়া: আগামী ১ জুন থেকে টানা ৯০ দিন চলবে এনরোলমেন্ট বা নথিভুক্তকরণের কাজ। অনলাইন এবং অফলাইন—উভয় মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভবিষ্যৎ: মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম নথিভুক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মহিলার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ, উভয় প্রকল্পের সুবিধা একসঙ্গে পাওয়া যাবে না।

  • জুন মাসের টাকা: যাঁরা আগামী ২ জুনের মধ্যে নথিভুক্তকরণ সম্পন্ন করতে পারবেন, তাঁরা জুন মাস থেকেই ৩ হাজার টাকা করে পেতে শুরু করবেন।

  • সহায়তা কেন্দ্র: অনলাইনে ফর্ম পূরণে সমস্যা হলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আধিকারিকরা সাহায্য করবেন। এছাড়া, আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন রাজ্যে ‘জনকল্যাণ শিবির’ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ফর্ম পূরণের বিষয়ে সরাসরি সহায়তা মিলবে। নবনির্বাচিত বিধায়কেরাও এই কাজে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করবেন।

কারা পাবেন না এই সুবিধা? শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, প্রকল্পের তালিকা স্বচ্ছ রাখতেই কঠোর নিয়ম মানা হচ্ছে। যারা নিম্নোক্ত শর্তের আওতায় পড়বেন, তাঁরা এই প্রকল্পের টাকা পাবেন না:

  • যিনি প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক নন।

  • আয়কর প্রদানকারী ব্যক্তি।

  • সরকারি বা সরকার পোষিত চাকরিতে কর্মরত।

  • যাঁদের নাম ভারতীয় তালিকায় নেই।

বিশেষ তথ্য: মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের ফর্মে পারিবারিক বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো, সরকার যেন পরিবারের সঠিক পরিসংখ্যান সংগ্রহ করতে পারে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদানে তা কাজে লাগানো যায়। তবে, CAA-তে আবেদনকারী এবং SIR-এ ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। সরাসরি [আধার কার্ড নম্বর বা পরিচয়পত্র] যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই এই টাকা উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।