হালকা ও পুষ্টিকর! হজমশক্তি ঠিক রাখতে এবং শরীর জুড়াতে রোজকার মেনুতে আজই রাখুন এই ডালগুলো

প্রচণ্ড গরমে তেল-ঝাল মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। শরীর সুস্থ রাখতে এই সময় হালকা ও পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। গরম ভাতের সঙ্গে এক বাটি ডাল শরীরকে কেবল ঠান্ডা রাখতেই সাহায্য করে না, বরং দুপুরে খাওয়ার পাতে নিয়ে আসে এক অপার্থিব তৃপ্তি।

গরমের জন্য সেরা ৪ ডালের তালিকা:
কাঁচা আমের টক ডাল: গ্রীষ্মের দুপুরের অন্যতম সেরা পদ। মুসুর ডালের সাথে কাঁচা আমের টুকরো দিয়ে রান্না করা এই ডাল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং মুখের রুচি ফেরাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। শেষে শুকনো লঙ্কা ও পাঁচফোড়নের ফোড়ন এর স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

সবজি দিয়ে ভাজা মুগ ডাল: বাঙালি বাড়ির নিরামিষ রান্নায় মুগ ডাল অত্যন্ত জনপ্রিয়। হালকা ভেজে নেওয়া মুগ ডালে নানা রকম সবজি মিশিয়ে রান্না করলে তা যেমন স্বাস্থ্যকর হয়, তেমনি সহজপাচ্যও হয়ে ওঠে। এতে নারকেল কুচি বা ভাজা বড়ি যোগ করলে স্বাদ বাড়ে দ্বিগুণ।

আদা-কাঁচালঙ্কার মুগ ডাল: খুব হালকা ও সহজপাচ্য একটি পদ। আদা বাটা ও কাঁচালঙ্কার ব্যবহারে এই ডাল যেমন সুস্বাদু, তেমনই পেটের সমস্যার জন্য দারুণ উপকারী। হালকা ঘি বা ভাজা বড়ির ছোঁয়ায় এটি জমে ওঠে।

ঐতিহ্যবাহী ছোলার ডাল: বিশেষ দিন বা উৎসবের পদ হলেও, গরমের দিনে রুটি বা লুচির সঙ্গে ছোলার ডালের তুলনা হয় না। নারকেল কুচি ও মশলার সুগন্ধে ভরা এই ডাল প্রোটিনে ভরপুর, যা সারা দিনের ক্লান্তি দূর করে শরীরে এনার্জি জোগায়।

কেন খাবেন এই ডালগুলো?
১. শরীর ঠান্ডা রাখে: টক ডাল বা হালকা মুগ ডাল শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
২. সহজপাচ্য: গরমে আমাদের হজমশক্তি কিছুটা কমে যায়, তাই এই ডালগুলো শরীরের ওপর বাড়তি চাপ দেয় না।
৩. পুষ্টিগুণ: প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানে ভরপুর হওয়ায় এগুলো শরীরের ক্লান্তি দূর করে।