রেশন ব্যবস্থায় আসছে বড় বদল? আধুনিকীকরণের প্রস্তাব নিয়ে শুভেন্দুর দ্বারস্থ ডিলাররা

নতুন সরকার গঠনের পরই রাজ্যের রেশন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর দাবি উঠল। রেশন ডিলারদের সংগঠন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে যে সমস্ত জনমুখী কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় বাস্তবায়িত হয়নি, তা দ্রুত চালু করা হোক।

রেশন ডিলারদের ৪টি বড় প্রস্তাব:
অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যে যে মডেল ইতিমধ্যেই সফল, তা বাংলায় চালুর জন্য ৪টি বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছেন ডিলাররা:

১. গ্রোসারি পরিষেবা: চাল-গমের পাশাপাশি সাধারণ বাজারের চেয়ে কম দামে তেল, ডাল, নুন ও মশলার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী রেশন দোকান থেকেই বিতরণ করা।
২. মিনি ব্যাঙ্কিং: গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় রেশন দোকানগুলোকে ‘মিনি ব্যাঙ্কিং কাউন্টার’ বা ‘ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্ট ব্যাঙ্ক’-এর ডিজিটাল পরিষেবা কেন্দ্রে রূপান্তর করা।
৩. ছোট গ্যাস সিলিন্ডার: সাধারণ মধ্যবিত্ত ও পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে রেশন দোকান থেকে ৫ কেজি ওজনের ছোট এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ও রিফিলিং-এর সুবিধা দেওয়া।
৪. ডিজিটাল প্রশিক্ষণ: সাধারণ মানুষকে সরকারি ডিজিটাল পরিষেবা সম্পর্কে সচেতন করতে ডিলারদের কেন্দ্র সরকারের খরচে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কী আর্জি?
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমান মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়াল দীর্ঘদিন খাদ্য দপ্তরের দায়িত্বে থাকায় রেশন ব্যবস্থার খুঁটিনাটি তাঁর নখদর্পণে। ফলে এই সংস্কার প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করা সহজ হবে।