ট্রাম্পের হুঙ্কারে কি নামবে তেলের দাম? অপরিশোধিত তেল নিয়ে বড় ঘোষণা!

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের উপরে চলে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, তা কাটাতে এবার সরাসরি আসরে নামলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের দাবি, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে, যার সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে জ্বালানির দামে।
তেলের দাম কমার ইঙ্গিত: শনিবার (স্থানীয় সময়) এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, তেহরান বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য অত্যন্ত আগ্রহী। তাঁর কথায়, “ইরানে বিশাল তেলের ভাণ্ডার রয়েছে। যদি আমাদের এই শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়, তবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে। খুব শীঘ্রই আপনারা তেলের দামে বড় পতন দেখতে পাবেন।”
কেন এই উদ্বেগ? গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করায় ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা প্রবল হয়েছে। খোদ আমেরিকাতেও জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হলে, অপরিশোধিত তেলের দাম কমবে এবং তার ফলে বিশ্বজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দামও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ইরান-আমেরিকা সমীকরণ: বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ইরান ও আমেরিকার মধ্যবর্তী দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণেই বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, যদি রবিবারের মধ্যে কোনো বড় সিদ্ধান্ত বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তবে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে তেলের দামের অস্থিরতা কেটে যাবে।
এখন গোটা বিশ্বের নজর সেই বড় ঘোষণার দিকে, যা জ্বালানি বাজারের এই অগ্নিমূল্য পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।