“২৫ রাউন্ড গুলি, আতঙ্ক হোয়াইট হাউসে!”-সিক্রেট সার্ভিসের পাল্টা জবাবে খতম যুবক

শনিবার সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হোয়াইট হাউস চত্বরে ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর বন্দুক হামলার ঘটনা। হোয়াইট হাউসের বাইরে অবস্থিত সিক্রেট সার্ভিসের একটি চেকপয়েন্ট লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে এক দুষ্কৃতী। পাল্টা জবাবে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই ধরাশায়ী হয় হামলাকারী। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কী ঘটেছিল শনিবার সন্ধ্যায়? মার্কিন সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ চেকপয়েন্টের কাছে পৌঁছে এক যুবক ব্যাগ থেকে বন্দুক বের করে আধিকারিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে প্রায় ২৫টি গুলির শব্দ শোনা যায়। গুলির লড়াইয়ের সময় এক পথচারীও জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে আহত ওই ব্যক্তি হামলাকারীর গুলিতে নাকি পুলিশের পাল্টা গুলিতে জখম হয়েছেন, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা ও তল্লাশি: ঘটনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ছিলেন। তবে দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে সিক্রেট সার্ভিস। তারা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। হোয়াইট হাউসের ছাদে স্নাইপার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং আশেপাশের এলাকায় শুরু হয়েছে কঠোর তল্লাশি অভিযান।
হামলাকারীর পরিচয়: নিহত যুবকের নাম নাসির বেস্ট (২১)। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে তার নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে বা কার প্ররোচনায় সে হোয়াইট হাউসের মতো সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে হামলা চালাল, তার কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে ধন্দ কাটেনি। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তের ভার নিয়েছে এফবিআই (FBI)।
গোটা ঘটনায় মার্কিন রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করা হচ্ছে।