OMG! জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি, ২০ হাজার ফুট উঁচুতে ছড়ালো ছাই

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত লাস্কার আগ্নেয়গিরি ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেছে।
শনিবার (১১ ডিসেম্বর) আগ্নেয়গিরিটি ফের সক্রিয় হয়ে ওঠার পর আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে বেশ কয়েকবার হালকা ভূকম্পন অনুভূত হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এদিকে আগ্নেয়গিরিটি থেকে আকাশের দিকে প্রায় ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় ছাই ছুড়ে মারায় লাভা উদগীরণের আশঙ্কায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
এখন পর্যন্ত আগ্নেয়গিরিটির আশপাশের এলাকায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও কর্তৃপক্ষ এই সতর্কতার মাত্রা ‘সবুজ’ থেকে বাড়িয়ে ‘হলুদে’ নিয়ে গেছে।
চিলির ভূতত্ত্ব ও খনন কর্তৃপক্ষ সার্নাজিওমিনের এ ‘হলুদ’ সতর্কতার অর্থ দাঁড়াচ্ছে- আগ্নেয়গিরিটি অস্থিতিশীল।
নতুন এ নিরাপত্তা সতর্কতার ফলে বিশেষজ্ঞরা এখন ছোটখাট বিস্ফোরণ ও ধোঁয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছেন, বলেছে সার্নাজিওমিন।
আগ্নেয়গিরিটি থেকে ১২ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থিত ছোট শহর আন্তোফাগাস্তার তালাব্রের বাসিন্দারা শনিবার দুপুরের দিকে প্রথম লাস্কার আগ্নেয়গিরিটির জেগে ওঠার বিষয়টি টের পান।
লাস্কার বিপুল পরিমাণ ছাই ও গরম গ্যাসসমৃদ্ধ ছাইয়ের মেঘ নির্গত করলেও এখনও আশপাশের কোনো বাড়িঘরের ক্ষতি হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আগ্নেয়গিরিটির জ্বালামুখ থেকে চারপাশের ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত সবার প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
চিলির উত্তরে থাকা লাস্কার আগ্নেয়গিরিটি পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য সান পেদ্রো দে আতাকামা থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
পর্বতারোহন ও পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক স্থান আতাকামা মরুভূমি দেখতে সান পেদ্রো দে আতাকামায় প্রতিবছরই বিপুল সংখ্যক মানুষের পা পড়ে।
লাস্কার আগ্নেয়গিরিতে সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে অগ্নুৎপাত হয়। পরে ২০০৬ ও ২০১৫ সালেও এই আগ্নেয়গিরি আংশিক সক্রিয় হয়ে উঠে। অবশ্য তখন বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।