মিগুয়েলের জায়গায় কে খেলবে? চোট নিয়ে বাড়তি সতর্কতা ইস্টবেঙ্গলের

ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (ISL) পয়েন্ট টেবিলের যা সমীকরণ, তাতে ট্রফি কলকাতায় আসার সম্ভাবনা এখন তুঙ্গে। একদিকে প্রতিবেশী ক্লাব মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট টেবিলের মগডালে বসে থাকলেও, লড়াই ছাড়ছে না অস্কার ব্রুজোর ইস্টবেঙ্গল। তবে স্বপ্নপূরণের পথে বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের একের পর এক চোট এবং নির্বাসন।
চোটের তালিকায় ৪ স্তম্ভ, ধন্দে অস্কার
আগামী ম্যাচের আগে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে ইনজুরির হানা রীতিমতো দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তালিকায় রয়েছেন— মহম্মদ রশিদ, আনোয়ার আলি, কেভিন সিবিলের পাশাপাশি নতুন নাম পিভি বিষ্ণু। মঙ্গলবার আনোয়ার ও সিবিলেকে হালকা অনুশীলন করতে দেখা গেলেও, রশিদ ও বিষ্ণু ছিলেন মাঠের বাইরে। কোচ অস্কার ব্রুজো অবশ্য এখনই তাড়াহুড়ো করতে নারাজ। বৃহস্পতিবারের অনুশীলনের পরেই বোঝা যাবে, ওড়িশা ম্যাচে তাঁদের পাওয়া যাবে কি না।
মিগুয়েলহীন মাঝমাঠ: বড় চ্যালেঞ্জ
মাঝমাঠের প্রাণভোমরা মিগুয়েল ফিগুয়েরা পরের ম্যাচে নেই— এটি এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। তাঁর অভাব মেটানো ইস্টবেঙ্গলের জন্য পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ। মাঝমাঠ মেরামত করতে অস্কারকে নতুন ছক কষতে হচ্ছে। একই সঙ্গে রক্ষণেও বদল আসার ইঙ্গিত মিলেছে। ওড়িশার বিরুদ্ধে তিন ডিফেন্ডারের বদলে প্রথাগত সাইড ব্যাক নিয়ে নামার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন কোচ।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সমীকরণ: অঙ্কের হিসেবে লাল-হলুদ
ইস্টবেঙ্গলের সামনে এখন প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল। লিগ টেবিলের চার নম্বরে থাকা লাল-হলুদ ব্রিগেড একটা ম্যাচ কম খেলেছে। চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে তাদের অন্তত ২৫ পয়েন্টে পৌঁছতে হবে।
-
ওড়িশার বিরুদ্ধে জিতলে দুই নম্বর স্থান পাকা হবে।
-
একই সঙ্গে মুম্বই সিটি এফসি এবং মোহনবাগানের ওপর চাপ বাড়বে।
ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, লিগ জিততে হলে মোহনবাগানকে হারিয়েই জিততে হবে। তাই বিপক্ষ দলগুলোর পয়েন্ট নষ্টের দিকে তাকিয়ে থাকার পাশাপাশি নিজেদের জয়ের ধারা বজায় রাখাটাই এখন মূল লক্ষ্য অস্কার-বাহিনীর।