“পকেটে পড়বে না টান! গরমে বিদ্যুতের বিল কমানোর ৫ গোপন টিপস, যা আপনাকে কেউ বলবে না”

চৈত্র শেষ হতে না হতেই দহনজ্বালায় পুড়ছে বাংলা। আর এই তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে এসি, কুলার বা ফ্রিজের ব্যবহার বাড়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাসের শেষে ইলেকট্রিক বিল হাতে আসতেই অনেকের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটু সচেতন হয়ে সামান্য ৫টি অভ্যেস বদলে ফেললেই বিদ্যুতের বিল অনেকটাই কমানো সম্ভব।
১. এসির তাপমাত্রায় নজর (২৪° সেন্টিগ্রেড ম্যাজিক):
অনেকেই এসি চালিয়ে ১৮ বা ১৬ ডিগ্রিতে দিয়ে রাখেন। এতে কম্প্রেসরের ওপর চাপ পড়ে এবং বিল আকাশছোঁয়া হয়। ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি (BEE)-র মতে, এসি সর্বদা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে রাখা উচিত। এতে ঘর আরামদায়ক থাকে এবং বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ২০-২৫% কম হয়।
২. ফ্যান ও এসির যুগলবন্দি:
এসি চালানোর সময় হালকা গতিতে সিলিং ফ্যান চালিয়ে রাখুন। এতে ঘরের ঠান্ডা বাতাস সবদিকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ঘর তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় এবং এসির ওপর লোড কমে। এতে অনেকটা ইউনিট সাশ্রয় হয়।
৩. দরজার ফাঁক ও জানলার পর্দা:
ঘরের ঠান্ডা বাতাস যাতে বাইরে বেরিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। জানলায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন যাতে সরাসরি সূর্যের আলো ঘরে ঢুকে ঘর গরম না করে। দরজা-জানলার নিচের ফাঁক দিয়ে ঠান্ডা হাওয়া বেরিয়ে গেলে এসিকে দ্বিগুণ কাজ করতে হয়, যা বিল বাড়িয়ে দেয়।
৪. ইলেকট্রনিক্স সুইচ অফ ও আনপ্লাগ:
টিভি, ওভেন বা ল্যাপটপ চার্জার কাজ হয়ে গেলে শুধু রিমোটে বন্ধ না করে মেইন সুইচ থেকে বন্ধ করুন। এমনকি প্লাগ পয়েন্ট থেকে খুলে রাখা আরও ভালো। একে বলা হয় ‘ফ্যান্টম লোড’, যা বন্ধ থাকলেও বিদ্যুৎ টানতে থাকে।
৫. ফ্রিজের সঠিক ব্যবহার:
গরমকালে বারবার ফ্রিজ খোলা বা বেশিক্ষণ খুলে রাখা বন্ধ করুন। এতে ঠান্ডা বেরিয়ে যায় এবং তা পুনরায় ঠান্ডা করতে ফ্রিজ বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। এছাড়া দেয়াল থেকে অন্তত ৬ ইঞ্চি দূরে ফ্রিজ রাখুন যাতে হাওয়া চলাচলের মাধ্যমে কম্প্রেসর ঠান্ডা থাকতে পারে।
প্রো-টিপ: এসির ফিল্টার মাসে অন্তত দু’বার পরিষ্কার করুন। নোংরা ফিল্টার থাকলে এসি ঠান্ডা করতে বেশি শক্তি খরচ করে, যা সরাসরি বিলের ওপর প্রভাব ফেলে।
এই টিপসগুলো কি আপনার কাজে লাগল? ইলেকট্রিক বিল কমাতে আপনি কী কী করেন? ক