প্লেটে এক পিস মাংস দেওয়াই দায়! রেকর্ড হারে চড়ছে চিকেন, ভোটের বাজারে কান্নাকাটি নেতাদের!

ভোটের উত্তাপ যত বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে ততই বাড়ছে মুরগির মাংসের দাম। আর এই চড়া দামেই এখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা রাজনৈতিক দলগুলোর। নির্বাচনের ময়দানে কর্মীদের চাঙ্গা রাখতে হোক বা ভোটারদের মন জয়— ‘মহাভোজের’ তালিকায় মুরগির মাংসই ছিল প্রধান ভরসা। কিন্তু বাজারের বর্তমান যা হাল, তাতে মুরগিই এখন যেন সাধারণ পাখি থেকে আস্ত এক ‘ভোট পাখি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেন মাথায় হাত প্রার্থীদের?

নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে মধ্যাহ্নভোজন বা নৈশভোজের মেনুতে বাঙালির প্রথম পছন্দ চিকেন। কিন্তু গত কয়েকদিনে কেজি প্রতি মুরগির দাম যেভাবে আকাশছোঁয়া হয়েছে, তাতে হিসেব মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন প্রার্থীরা।

  • বাজেট ফেল: কর্মীদের জন্য প্রতিদিন শত শত কেজি মাংসের অর্ডার দিতে গিয়ে নির্বাচনী বাজেটে টান পড়ছে।

  • বিকল্পের অভাব: খাসির মাংস আগেই বাজেটের বাইরে ছিল, এখন মুরগিও নাগালের বাইরে যাওয়ায় অনেক জায়গায় মেনু থেকে মাংস বাদ পড়ার জোগাড়।

বাজারের পরিসংখ্যান

স্থানীয় বাজারগুলো ঘুরে দেখা যাচ্ছে, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি দাম বেড়েছে ৩০% থেকে ৪০%। বিক্রেতারা বলছেন, একযোগে সব দলের পক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ মাংসের চাহিদা তৈরি হওয়ায় এই কৃত্রিম সঙ্কট ও মূল্যবৃদ্ধি। অনেক এলাকায় পাইকারি বাজারেই স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে।

নেতাদের অন্দরে গুঞ্জন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলা নেতা জানালেন, “আগে ভাবতাম প্রচারের খরচ সামলানোই কঠিন, এখন দেখছি ভোটারদের পাতে মাংস-ভাত তুলে দেওয়া তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ। মুরগির দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে শেষমেশ ডিমের ঝোল বা ডাল-ভাত দিয়েই কাজ চালাতে হবে কি না ভাবছি।”

ভোটের ময়দানে এবার কি তবে ‘চিকেন পলিটিক্স’ দামের কাছে হার মানবে? আপনি কী বলছেন? কমেন্টে আপনার মতামত জানান!