অক্ষয় তৃতীয়ায় সোনা কেনা কি সাধ্যের বাইরে? পকেটে টান থাকলেও এই ৫টি সস্তা জিনিস আনবে সৌভাগ্য!

হিন্দুধর্মে অক্ষয় তৃতীয়া মানেই উপচে পড়া ভিড় আর সোনার দোকানে লম্বা লাইন। বিশ্বাস করা হয়, বছরের এই একটি দিনে করা কোনো কাজ বা বিনিয়োগ কখনও ‘ক্ষয়’ হয় না, বরং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। ২০২৬ সালে অক্ষয় তৃতীয়া পালিত হতে চলেছে আগামী ১৯শে এপ্রিল, রবিবার

আপনি কি এই বিশেষ দিনে সোনা কেনার পরিকল্পনা করছেন? নাকি বাজেট কম থাকায় দুশ্চিন্তায় আছেন? পকেটে টান থাকলেও চিন্তা নেই, সোনা ছাড়াও কয়েকটি সস্তা জিনিস বাড়িতে আনলে আপনার সংসারে বজায় থাকবে সুখ-সমৃদ্ধি।

সোনা ছাড়াও যা কিনলে হবে ‘অক্ষয়’ পুণ্য:

সবার পক্ষে সোনা কেনা সম্ভব হয় না, কিন্তু শাস্ত্রমতে নিচের ৫টি সাধারণ ও সস্তা জিনিস কিনলেও সমান ফল পাওয়া যায়:

  • গোটা ধনে বীজ: অক্ষয় তৃতীয়ায় ধনে কেনা অত্যন্ত শুভ। এটি ধন-সম্পদ ও উন্নতির প্রতীক।

  • তামার বাসন: তামা একটি পবিত্র ধাতু। একটি ছোট তামার পাত্র কিনলেও ঘরে শুভ শক্তি বৃদ্ধি পায়।

  • মাটির জিনিস: অক্ষয় তৃতীয়ায় মাটির পাত্র, প্রদীপ বা জলের কলসি কেনা শান্তির প্রতীক বলে ধরা হয়।

  • হলুদ ও চাল: পুজোর অপরিহার্য এই দুই উপকরণ কিনে আনলে দেবী লক্ষ্মী প্রসন্ন হন।

  • লাল কাপড়: পুজোর কাজে ব্যবহারের জন্য নতুন লাল সুতির কাপড় কেনাও বেশ শুভ।

বিশেষ টিপস: যদি কিছু কেনা সম্ভব না হয়, তবে এই দিনটিতে অসহায় মানুষকে সাধ্যমতো দান করুন। মানসিক শান্তি এবং ইতিবাচক শক্তির জন্য এর চেয়ে বড় বিনিয়োগ আর নেই।


সোনা ও রুপো কেনার শুভ সময় (১৯ এপ্রিল, ২০২৬):

যদি আপনি সোনা বা দামি ধাতু কেনার প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন, তবে পঞ্জিকা অনুসারে শুভ সময়গুলো অবশ্যই মিলিয়ে নিন:

বেলা শুভ মুহূর্তের সময়
সকাল (চর, লাভ, অমৃত) সকাল ১০:৪৯ – দুপুর ১২:২১
দুপুর (শুভ) দুপুর ০১:৫৮ – বিকেল ০৩:৩৫
সন্ধ্যা (শুভ, অমৃত, চর) সন্ধ্যা ০৬:৫০ – রাত ১০:৫৮
রাত (লাভ) রাত ০১:৪৩ – ভোর ০৩:০৬ (২০ এপ্রিল)
ভোর (শুভ) ভোর ০৪:২৯ – ভোর ০৫:৫২ (২০ এপ্রিল)