কোথাও রঙের ছটা, কোথাও প্রতিশ্রুতির বন্যা- প্রচারের শেষদিনে কংগ্রেস-বিজেপির

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হলো অসম, কেরল এবং পুদুচেরির হাই-ভোল্টেজ নির্বাচনী প্রচার। টানা ২২ দিনের ম্যারাথন জনসংযোগ, হেভিওয়েটদের রোড-শো আর প্রতিশ্রুতির বন্যা শেষে এবার বল সাধারণ মানুষের কোর্টে। বৃহস্পতিবার এই দুই রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ্যনির্ধারণ হতে চলেছে শত শত প্রার্থীর।

অসম: হিমন্তের ‘সপ্তম’ লড়াই বনাম কংগ্রেসের ‘গৌরব’

অসমে এবার লড়াইটা অস্তিত্বের। বিজেপির হয়ে সেনাপতির ভূমিকায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। নিজের চেনা দুর্গ জুলুকবাড়ি থেকে এবার জিতলে টানা সাতবার জয়ের রেকর্ড গড়বেন তিনি। অন্যদিকে, কংগ্রেসের তুরুপের তাস প্রদেশ সভাপতি গৌরব গগৈ, যিনি নিজে জোড়হাট থেকে লড়ছেন।

  • মূল ইস্যু: অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যখন সুর চড়িয়েছেন, পাল্টা তোপ দেগেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও।

  • নিরাপত্তা: শ্রীভূমি, ধূবরি ও তিনসুকিয়ার মতো স্পর্শকাতর এলাকায় ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ‘ভিআইপি রাউডি’ ও অপরাধীদের ধরপাকড় করে অবাধ ভোটের প্রস্তুতি সারা।

কেরল: ইতিহাস গড়ার মুখে বামেরা?

দক্ষিণের এই রাজ্যে এবার লড়াই ত্রিমুখী। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন যদি এবার জেতেন, তবে কেরলে পরপর তিনবার সরকার গড়ে নয়া ইতিহাস তৈরি করবে সিপিএম।

  • স্টার ক্যাম্পেইনার: শেষ দিনে প্রচারে ঝড় তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধী।

  • ভোটার সংখ্যা: এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শেষে কেরলে ভোটার ২ কোটি ৭১ লক্ষ, যেখানে পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের (১ কোটি ৩৯ লক্ষ) সংখ্যাই বেশি। ১৪০টি আসনে লড়াই করছেন ৮৮৩ জন প্রার্থী।

পুদুচেরি: ছোট রাজ্যে বড় লড়াই

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও প্রচারে কোনো খামতি রাখেনি বিজেপি ও কংগ্রেস। স্থানীয় ইস্যুর পাশাপাশি কেন্দ্রের নীতি নিয়ে জোরদার চর্চা চলেছে গলি থেকে রাজপথে।