রাত আড়াইটেয় যমদূত হয়ে এল কাল রঙের হ্যারিয়ার! রং রুটে এসইউভির মরণঝাঁপ, নিভে গেল দুই তরতাজা প্রাণ!

গভীর রাতে বিভীষিকা গুরুগ্রামের গলফ কোর্স এক্সটেনশন রোডে! এক বেপরোয়া এসইউভি-র (SUV) ধাক্কায় প্রাণ হারালেন ২৬ বছর বয়সী এক বাইক ট্যাক্সি চালক এবং তাঁর যাত্রী। দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে, আরোহী দু’জন প্রায় ২০ ফুট দূরে ছিটকে পড়েন এবং স্কুটারটি আক্ষরিক অর্থেই মাঝখান থেকে দু’ভাগ হয়ে যায়।
জন্মদিনের পার্টি থেকে ফেরা হল না কার্তিকের
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ছাত্রের নাম কার্তিক সুরেশ (২৪), তিনি সেক্টর ৬০-এর বাসিন্দা। বন্ধুর জন্মদিনের পার্টি শেষ করে বাড়ি ফেরার জন্য তিনি একটি বাইক ট্যাক্সি বুক করেছিলেন। সেই স্কুটারটি চালাচ্ছিলেন বিহারের মোতিহারির বাসিন্দা ঋত্বিক কুমার (২৬)। রাত তখন প্রায় ২টো বেজে ৩০ মিনিট। বাড়ি থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে থাকাকালীনই ঘটে যায় চরম বিপর্যয়।
রং রুটে যমদূত হয়ে এল টাটা হ্যারিয়ার
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ নম্বরের একটি কালো রঙের Tata Harrier গাড়ি উল্টো দিক (Wrong Side) থেকে প্রচণ্ড গতিতে এসে স্কুটারটিকে সরাসরি ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতায় স্কুটারের ধ্বংসাবশেষ প্রায় ১০০ মিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, ঘাতক এসইউভি-র চালক ও আরোহী কাউকে সাহায্য না করেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়।
পুলিশি তৎপরতা:
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। বর্তমানে পুলিশ ঘাতক গাড়িটির সন্ধানে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। পলাতক চালকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
একনজরে ট্র্যাজেডি:
সময়: রাত ২:০০ – ২:৩০ মিনিট।
স্থান: দ্য লিজেন্ড সোসাইটির প্রবেশদ্বার, গুরুগ্রাম।
মৃত: বাইক ট্যাক্সি চালক ও এক কলেজ ছাত্র।
ঘাতক গাড়ি: কালো রঙের টাটা হ্যারিয়ার (UP নম্বর)।