কালবৈশাখীর তাণ্ডব নাকি চৈত্র শেষে হাঁসফাঁস গরম? আবহাওয়ার মেজাজ নিয়ে বড় আপডেট দিল হাওয়া অফিস

চৈত্র মাসের শেষে বাংলার আবহাওয়ায় নাটকীয় মোড়। বঙ্গোপসাগর থেকে আসা প্রচুর জলীয় বাষ্প এবং একাধিক অক্ষরেখার প্রভাবে আজ, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজ্যজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়বে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই দুর্যোগ সাময়িক। বৃষ্টি থামলেই দক্ষিণবঙ্গবাসীকে কড়া রোদের তেজ এবং গুমোট গরমের অস্বস্তি সহ্য করতে হবে।

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়ের পূর্বাভাস:
আজ মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের সব কটি জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানে ৫০-৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। বাঁকুড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমানে শিলাবৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে ১ এপ্রিল থেকে বৃষ্টির দাপট কমবে এবং ২ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। ৫ এপ্রিল থেকে ফের তাপমাত্রার পারদ চড়তে শুরু করবে।

উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা:
উত্তরবঙ্গের ছবিটা আরও কিছুটা গম্ভীর। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে আজ বজ্রপাত-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মালদা ও দুই দিনাজপুরেও ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা। বুধবার থেকে সেখানে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও পাহাড়ি জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।

গরম কি বাড়ছে?
গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য কম। কিন্তু আবহাওয়া দপ্তরের ইঙ্গিত, চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই আকাশ পরিষ্কার হতেই রোদের তেজ বাড়বে। উত্তর-পূর্ব বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখাটি দুর্বল হলেই সমতলে গরমের অস্বস্তি ফিরবে। চৈত্র শেষে বৃষ্টির এই স্বস্তি বিদায় নিয়ে শুরু হবে ঘামঝরানো গরমের দাপট।