ছোট বাথরুম নিয়ে চিন্তিত? এই ৩টি জাদুকরী ট্রিকসে আপনার স্নানঘর হয়ে উঠবে রাজকীয় ও খোলামেলা!

শহুরে জীবনে ফ্ল্যাটের আয়তন যেমন কমছে, তেমনই ছোট হচ্ছে স্নানঘর বা বাথরুমের পরিসর। জায়গা কম হলেও প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা কিন্তু ছোট নয়— শ্যাম্পু, সাবান, কন্ডিশনার থেকে শুরু করে বাথরুম পরিষ্কারের রাসায়নিক, সবকিছুই রাখতে হয় হাতের কাছে। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে ছোট স্নানঘর দ্রুত অগোছালো ও ঘিঞ্জি হয়ে পড়ে। মাত্র ৩টি সহজ কৌশল এবং কিছু স্মার্ট পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি আপনার ছোট্ট স্নানঘরটিকেও করে তুলতে পারেন ঝকঝকে ও প্রশস্ত।

১. দরজার পিছনের জাদুর ব্যবহার: বাথরুমের মেঝের জায়গা বা ফ্লোর স্পেস না কমিয়ে অতিরিক্ত স্টোরেজ তৈরির সেরা জায়গা হলো দরজার পিছনের অংশ। এখানে ৩ থেকে ৪ ধাপের হ্যাঙ্গিং র‍্যাক বা ওভার-দ্য-ডোর অর্গানাইজার লাগিয়ে নিন। এতে শ্যাম্পুর বোতল, বডি ওয়াশ এমনকি শুকনো তোয়ালে অনায়াসেই রাখা যায়। ফলে ক্যাবিনেটের ওপর চাপ কমে এবং বাথরুম দেখায় অনেক বেশি গোছানো।

২. বেসিনের নিচের ‘ভ্যানিটি’ ম্যাজিক: বেসিনের নিচের ফাঁকা অংশটি আমরা সাধারণত অবহেলা করি। সেখানে পাল্লা লাগিয়ে একটি ছোট ক্যাবিনেট বা ড্রয়ার তৈরি করে নিন। উপরের ড্রয়ারে ব্রাশ, পেস্ট বা শেভিং কিট রাখুন এবং নিচের তাকে বড় বোতল বা ক্লিনিং লিকুইড স্টোর করুন। এটি বাথরুমের পাইপলাইন আড়াল করার পাশাপাশি স্টোরেজ দ্বিগুণ করে দেয়।

৩. ফ্লোটিং ও কর্নার শেলফ: মেঝের জায়গা দখল না করে দেওয়ালের ওপরের অংশ ব্যবহার করুন। শৌখিন ‘ফ্লোটিং শেলফ’ বা ভাসমান তাক এখন খুব জনপ্রিয়। দেওয়ালের কোণগুলোতে কর্নার র‍্যাক লাগিয়ে সাবান বা সুগন্ধি মোমবাতি রাখতে পারেন। এছাড়া বাথরুমে হালকা রঙের টাইলস এবং একটি বড় আয়না ব্যবহার করলে আলোর প্রতিফলনে ছোট জায়গা অনেক বড় ও উজ্জ্বল মনে হয়। দেওয়াল সংলগ্ন ‘ওয়াল-হাং’ কমোড ব্যবহার করলে মেঝের অংশ ফাঁকা থাকে, যা বাথরুমকে দেয় একটি প্রিমিয়াম লুক।