সম্মান রক্ষায় খুনের হুমকি? লিভ-ইন যুগলকে নিরাপত্তা দিতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

সম্পর্কের সংজ্ঞায় বড় বদল! এলাহাবাদ হাইকোর্ট এক তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, একজন বিবাহিত পুরুষ যদি অন্য কোনও প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার সঙ্গে সম্মতিক্রমে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকেন, তবে তা আইনের চোখে অপরাধ নয়। আদালত স্পষ্ট করেছে যে, সামাজিক নৈতিকতা কখনওই কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার ঊর্ধ্বে হতে পারে না।
ঘটনার প্রেক্ষাপট: সাহারানপুরের এক বিবাহিত পুরুষ ও এক প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা লিভ-ইন সম্পর্কে জড়ানোয় মহিলার পরিবার তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এমনকি ‘অনার কিলিং’ বা সম্মান রক্ষায় খুনের আশঙ্কা প্রকাশ করে ওই যুগল আদালতের দ্বারস্থ হন। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত সাহারানপুরের এসপি-কে ওই যুগলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ: বিচারপতিদের বেঞ্চ জানিয়েছে, যদি দুই প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিজেদের সম্মতিতে একসঙ্গে থাকেন এবং সেখানে কোনও আইনি অপরাধ প্রমাণিত না হয়, তবে আদালত তাঁদের নাগরিক অধিকার রক্ষা করতে বাধ্য। সামাজিক ভাবে তা গৃহীত কি না, সেই বিচারে আদালত চালিত হবে না। আগামী ৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।