সারা বছর চাহিদা, বাম্পার ফলন! ধান ছেড়ে লঙ্কা চাষে কেন মজেছেন মেদিনীপুরের চাষিরা?

প্রথাগত ধান বা বাদাম চাষে আর লাভের মুখ দেখছিলেন না পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার চাষিরা। তাই বিকল্প হিসেবে লঙ্কা চাষেই বাজিমাত করলেন তাঁরা। এগরার দুবদা, পানিপারুল ও কুলটিকরি এলাকার কয়েক হাজার কৃষক এখন লঙ্কা চাষ করে বিঘায় ৩০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট মুনাফা ঘরে তুলছেন। জেলা উদ্যানপালন দফতরের মতে, এটি এখন জেলার অন্যতম লঙ্কা উৎপাদন কেন্দ্র।

খরচ ও লাভের অঙ্ক: চাষিদের মতে, এক বিঘা জমিতে লঙ্কা চাষ করতে খরচ হয় প্রায় ২৫-৩০ হাজার টাকা। নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ চারা রোপণের পর ৭০-৮০ দিনের মধ্যেই ফলন শুরু হয়। এক মরশুমে ৮-১০ বার লঙ্কা তোলা যায়। বিঘায় প্রায় ২০-২৫ কুইন্টাল ফলন মেলে, যা বাজারদর অনুযায়ী ৬০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়।

কেন বাড়ছে ঝোঁক? ধান ও বাদামের তুলনায় লঙ্কা চাষে ঝুঁকি থাকলেও লাভের পরিমাণ অনেক বেশি। সারা বছর বাজারে লঙ্কার চাহিদা তুঙ্গে থাকে। জেলা উদ্যানপালন দফতরও কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চাষের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যার ফলে ফলন আরও বাড়ছে।