“বেঁচে থাকতে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেব না!” এনআরসি আতঙ্কে উত্তরবঙ্গে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

বুধবার উত্তরবঙ্গে তিনটি জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ময়নাগুড়ির সভা থেকে তিনি দাবি করেন, অন্য রাজ্যগুলি বাংলার প্রকল্প ‘টুকলি’ করার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে থাকা সংশয় দূর করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ৬০ বছরের পরেও এই সুবিধা বন্ধ হবে না—এটি সারাজীবন চলবে।
ভাষণের প্রধান দিকগুলো:
-
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও টাকা বৃদ্ধি: মমতা প্রশ্ন করেন, ১ এপ্রিলের বদলে ১ মার্চ থেকেই বর্ধিত টাকা মহিলারা পেয়েছেন কি না। তিনি বলেন, “আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি দিই না, করে দেখাই।”
-
বিজেপি ও বিহার মডেলকে আক্রমণ: বিহারের প্রস্তাবিত ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, সেখানে নির্বাচনের আগে বড় অঙ্কের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আয়ুষ্মান ভারতের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি স্বাস্থ্যসাথীর সার্বজনীনতার ওপর জোর দেন।
-
এনআরসি (NRC) ও ডিটেনশন ক্যাম্প: ফের একবার নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়ে সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, “আমি বেঁচে থাকতে এনআরসি করে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেব না। আমার পরের প্রজন্মও এই অন্যায় মেনে নেবে না।”