বিশেষ: কোন তারিখে জন্মানো ব্যক্তিরাই হন আসল ‘ধুরন্ধর’, ভালো করে মিলিয়ে নিন?

আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, কেন কিছু মানুষ চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও হাসিমুখে জয়ের পথ খুঁজে নেন? কঠোর পরিশ্রম তো অনেকেই করেন, কিন্তু সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমারোলজি বলছে—সাফল্যের নেপথ্যে আপনার জন্ম তারিখ বা ‘মূলাঙ্ক’-এর এক বিশাল ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে তিনটি নির্দিষ্ট সংখ্যার জাতকদের বলা হয় ‘ধুরন্ধর’, যারা ভাগ্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ে নেন।
১ মূলাঙ্ক: জন্মগত নেতা (যেকোনো মাসের ১, ১০, ১৯ বা ২৮ তারিখ) যাঁদের জন্ম সংখ্যা ১, তাঁরা অন্যের দেখানো পথে হাঁটেন না, বরং নিজেরাই নতুন পথ তৈরি করেন। নেতৃত্ব দেওয়ার এক সহজাত ক্ষমতা থাকে এঁদের মধ্যে। পরিস্থিতি যতই ভয়াবহ হোক, ১ মূলাঙ্কের জাতকরা কখনও হাল ছাড়েন না। আত্মবিশ্বাস আর অদম্য জেদই এঁদের সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেয়।
৫ মূলাঙ্ক: প্রখর বুদ্ধি ও কৌশল (যেকোনো মাসের ৫, ১৪ বা ২৩ তারিখ) ৫ সংখ্যার জাতকদের প্রধান অস্ত্র হলো তাঁদের প্রখর বুদ্ধি। এঁরা খুব দ্রুত পরিস্থিতি বুঝতে পারেন এবং মুহূর্তের মধ্যে নিজেদের কৌশল বদলে নিতে পারদর্শী। কোনো সমস্যায় আটকে পড়া এঁদের স্বভাব নয়; বরং বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রতিটি বাধা টপকে বেরিয়ে আসাই এঁদের বিশেষত্ব।
৮ মূলাঙ্ক: সংগ্রামের নায়ক (যেকোনো মাসের ৮, ১৭ বা ২৬ তারিখ) ৮ মূলাঙ্কের ব্যক্তিদের জীবন হয়তো শুরুতে সংগ্রামে পরিপূর্ণ থাকে, কিন্তু এই লড়াই-ই তাঁদের ইস্পাত কঠিন করে তোলে। এঁরা ধীরে ধীরে কিন্তু অবিচলভাবে উন্নতির দিকে এগিয়ে যান। ধৈর্য এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একসময় এঁরা সমাজের কাছে সাফল্যের উদাহরণ হয়ে দাঁড়ান।
শেষ কথা: সংখ্যাতত্ত্ব বিশ্বাস করে যে, জন্মছকের এই সংখ্যাগুলো আপনার ব্যক্তিত্ব এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। তবে মনে রাখবেন, মূলাঙ্ক আপনার শক্তির উৎস হলেও কঠোর পরিশ্রম ও সঠিক চিন্তাভাবনা ছাড়া পূর্ণাঙ্গ জয় সম্ভব নয়। যদি আপনার জন্ম তারিখ এই তালিকার মধ্যে থাকে, তবে বুঝবেন—জয়ী হওয়ার সেই বিশেষ ক্ষমতা বা ‘স্পার্ক’ আপনার ভেতরে জন্মগতভাবেই বিদ্যমান।