চণ্ডীপুর ছেড়ে এবার করিমপুরের ‘ঘরের ছেলে’ সোহম! কালীমন্দিরে পুজো দিয়েই শুরু হাইভোল্টেজ প্রচার

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে জয়ী হয়ে বিধানসভায় পা রেখেছিলেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। তবে ২০২৬-এর লড়াইয়ে তাঁর রণক্ষেত্র বদলেছে। এবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে পাঠিয়েছেন নদিয়ার করিমপুরে। একদম নতুন এলাকা, অচেনা ভোটার—সব মিলিয়ে কিছুটা টেনশন থাকলেও, রবিবার সকাল থেকেই সেই ‘অচেনা’ করিমপুরকে আপন করে নিতে ময়দানে নেমে পড়লেন তারকা প্রার্থী। সাদা কুর্তা-পাজামা আর চশমায় একেবারে জননেতার মেজাজেই ধরা দিলেন তিনি।

কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু যাত্রা:
শনিবার রাতেই করিমপুর পৌঁছে গিয়েছিলেন সোহম। রবিবার ভোরে স্থানীয় জোংড়াদহ কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারের সূচনা করেন তিনি। এরপর মন্দির থেকে করিমপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এক বিশাল বাইক র‍্যালিতে অংশ নেন। কখনও দলীয় কর্মীদের বাইকের পিছনে বসে, আবার কখনও পায়ে হেঁটে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাস্তার ধারের দেওয়ালে নিজের প্রতীক এঁকে দেওয়াল লিখনও করতে দেখা যায় তাঁকে।

চণ্ডীপুর থেকে করিমপুর—চ্যালেঞ্জ ও আশা:
ইটিভি ভারতকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোহম স্বীকার করেছেন যে, সম্পূর্ণ নতুন জায়গায় লড়াইয়ের আগে সামান্য উত্তেজনা কাজ করছে। তবে তাঁর কথায়, “চণ্ডীপুরের মানুষ যেভাবে আমাকে ঘরের ছেলে করে নিয়েছিলেন, করিমপুরের মানুষের ভালোবাসাও সেভাবেই জয় করব।” এদিনের প্রচারে রাস্তার ধারে ভিড় জমানো সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের সঙ্গেও খুনসুটিতে মাতেন অভিনেতা।

ভোটের নির্ঘণ্ট ও ব্যস্ততা:
রাজ্যের ২৯৪টি আসনে এবার দুই দফায় (২৩ ও ২৯ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ হবে। হাতে সময় খুবই কম, তাই প্রচারের একটি মুহূর্তও নষ্ট করতে চাইছেন না তিনি। ৪ মে ফলাফল ঘোষণার দিনই স্পষ্ট হবে যে, রূপোলি পর্দার এই নায়ক করিমপুরের মানুষের মন জয় করতে সফল হলেন কি না।